২ জুলাই : প্রথমার্ধে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল বেলজিয়াম। নির্ধারিত সময় শেষ হতে যখন আর মাত্র চার মিনিট বাকি, তখনও ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল সেনেগাল। কিন্তু শেষ মুহূর্তের নাটকীয় লড়াইয়ে ম্যাচে ফিরে এসে অতিরিক্ত সময়ের শেষ প্রান্তে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোল করে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় বেলজিয়াম।
যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোলের দেখা পায়নি বেলজিয়াম। উল্টো ২৫ মিনিটে সাদিও মানের বাড়ানো বল থেকে হাবিব দিয়ারার গোলে এগিয়ে যায় সেনেগাল। বিরতির পর ৫১ মিনিটে ইসমাইল সার ব্যবধান দ্বিগুণ করলে জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায় আফ্রিকার দলটি।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর আক্রমণের ধার বাড়াতে রোমেলু লুকাকুকে মাঠে নামায় বেলজিয়াম। ম্যাচের ৮৬ মিনিটে সাদিও মানে নিশ্চিত একটি সুযোগ নষ্ট করলে খেলার মোড় ঘুরে যায়। পরের আক্রমণেই বক্সে ক্রস পেয়ে গোল করে ব্যবধান কমান লুকাকু।
এর মাত্র তিন মিনিট পর লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ডের নিখুঁত ক্রসে হেড করে সমতাসূচক গোল করেন ইউরি টিলেমানস। ২-২ সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত সময়, ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
অতিরিক্ত সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে বেলজিয়াম পেনাল্টি পেলে স্পট-কিক থেকে গোল করে দলকে ৩-২ ব্যবধানের অবিশ্বাস্য জয় এনে দেন ইউরি টিলেমানস। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে মেতে ওঠেন বেলজিয়ামের ফুটবলাররা, আর নিশ্চিত জয়ের দুয়ার থেকে খালি হাতে মাঠ ছাড়তে হয় সেনেগালকে।
এই দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের জয়ে বেলজিয়াম শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করে ফুটবলপ্রেমীদের উপহার দিল টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা রোমাঞ্চকর ম্যাচ।



