২২ জুন : আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়ে সৌদি আরবকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে স্পেন। বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এইচ’-এর দ্বিতীয় ম্যাচে এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে স্প্যানিশরা।
প্রথম ম্যাচে বিশ্বকাপের নবাগত কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে হতাশ হতে হয়েছিল স্পেনকে। ফলে সৌদি আরবের বিপক্ষে জয় ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প ছিল না তাদের সামনে। সেই চাপকে শক্তিতে রূপান্তর করে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে লামিন ইয়ামালদের দল।
ম্যাচের ১০ মিনিটেই স্পেনকে এগিয়ে দেন তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল। বিশ্বকাপ মঞ্চে এটি ছিল তাঁর প্রথম গোল। গোলটির যোগান দেন মিকেল ওয়ারজাবাল, যিনি আগের ম্যাচে নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন।
প্রথম গোলের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই সৌদি আরবের
রক্ষণভাগে তাণ্ডব চালান ওয়ারজাবাল। ২১ ও ২৪ মিনিটে মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে দুটি দৃষ্টিনন্দন গোল করে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন তিনি। তাঁর এই দুর্দান্ত নৈপুণ্যে প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেয়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান আরও বাড়ে। স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়ার শক্তিশালী শট ঠেকাতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল পাঠিয়ে দেন সৌদি ডিফেন্ডার হাসান আল-তামবাক্তি। আত্মঘাতী সেই গোলের ফলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-০।
এরপর কিছুটা সময় সৌদি আরব নিজেদের রক্ষণ সামলে রাখলেও স্পেনের আক্রমণের ধার কমেনি। যোগ করা সময়ে স্পেন আরও একবার বল জালে জড়ালেও ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি বাতিল করেন রেফারি।
শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্পেন। দুই ম্যাচ শেষে এক জয় ও এক ড্রয়ে চার পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘এইচ’-এর শীর্ষে অবস্থান করছে স্প্যানিশরা। এই জয়ে নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থানও অনেকটাই শক্ত করেছে তারা।



