৪ আগস্ট : ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক হামলার একটি পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের সামনে ছিল, তবে আঞ্চলিক দেশগুলোর অনুরোধে সেই পরিকল্পনায় অনুমোদন দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, সম্ভাব্য হামলায় ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা থাকায় শেষ পর্যন্ত সংযত থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, পেন্টাগন ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বড় পরিসরের সামরিক অভিযান পরিচালনার একটি পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অনুরোধ এবং সম্ভাব্য মানবিক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনি ওই হামলার অনুমোদন দেননি।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের মাধ্যমে গত সপ্তাহে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন কার্যত নিশ্চিত হলো। সেসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, পেন্টাগনের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যে এটি হতে পারত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ওই হামলা চালানো হলে ইরানের ভেতরে সম্ভবত হাজারো মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারত। এ কারণেই তিনি সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে সংযম প্রদর্শনের পথ বেছে নিয়েছেন।
একই সঙ্গে ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির ওপর একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা থেকেও তেহরানকে সরে আসতে হবে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা হয়। পেন্টাগনের প্রস্তুত করা হামলার পরিকল্পনা প্রকাশ্যে আসার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।।



