২৭ এপ্রিল : পাম্পে পেট্রোল না পাওয়ায় অ্যাম্বুল্যান্সেই মৃত্যু হল এক রোগীর। অভিযোগ, পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি থাকা সত্ত্বেও অ্যাম্বুল্যান্সকে পেট্রোল দিতে অস্বীকার করা হয়। এ নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনাটি বিহারের দ্বারভাঙার। জানা গেছে, তেনগ্রাহী এলাকার প্রায় ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে দ্রুত অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু মাঝপথে অ্যাম্বুল্যান্সের জ্বালানি ফুরিয়ে গেলে সেটি একটি পেট্রোল পাম্পে থামে। সেখানেই বিপত্তি—পাম্প কর্তৃপক্ষ পেট্রোল দিতে অস্বীকার করে। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে অপেক্ষা করেও জ্বালানি না পেয়ে বাধ্য হয়ে অ্যাম্বুল্যান্সটি সেখান থেকে রওনা দেয়। কিন্তু সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। পথেই অ্যাম্বুল্যান্সের ভিতরে রোগীর মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর মৃতের পরিবার ও অ্যাম্বুল্যান্স মালিক পাম্পের ম্যানেজার অশোক কুমার ভারতীর বিরুদ্ধে এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্টে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় রাত প্রায় ৯টা ২০ মিনিটে অ্যাম্বুল্যান্সটি পাম্পে আসে। সেই সময় পাম্পের ম্যানেজার ও কর্মীরা জ্বালানি না থাকার অজুহাত দেখিয়ে পেট্রোল দিতে অস্বীকার করেন। তবে তদন্তে উঠে এসেছে, ওই দিন পাম্পে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত ছিল—৪৫৯৫ লিটার মোটর স্পিরিট, ৪৭৮৪ লিটার হাই-স্পিড ডিজেল এবং ৩৪৭৫ লিটার প্রিমিয়াম পেট্রোল।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে জেলাশাসক ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে, অভিযোগ ওঠার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত ম্যানেজার।



