প্রবল চাপের মুখে ইস্তফা দেশের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের, ‘ককরোচ’দের দাবি মানল কেন্দ্র

Spread the news

২৫ জুলাই : ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতেই হবে, তা না হলে সরকারের সঙ্গে আলোচনার কোনও অর্থই নেই। শনিবার কেন্দ্রের সঙ্গে তৃতীয় দফা বৈঠকের আগে এ কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন নিট আন্দোলনকারীরা। ঘটনাচক্রে, তার পরেই ধর্মেন্দ্রর ইস্তফা। ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার ঘোষণার পরেই দিল্লির প্রতিবাদ মঞ্চ থেকে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘আমরা করে দেখিয়েছি। কেউ ভয় পাবেন না। এটা গণতন্ত্র। আর গণতন্ত্রে যদি মানুষ বলতে ভয় পায়, তা হলে তা কী করে গণতন্ত্র হবে? আপনারা কণ্ঠ ছাড়লে তবেই এরা লাইনে থাকবে।’

ইস্তফাপত্রে ধর্মেন্দ্র লিখেছেন, ‘গত ১০ দিনের ঘটনাক্রমে আমার মন ভারাক্রান্ত। দেশের যুবশক্তিই আসল শক্তি। দেশের এই যুবশক্তি যাতে কোনও বিভ্রান্তির বেড়াজালে আটকে না পড়ে— সেটাই আমার একমাত্র সংকল্প।’

তাঁর সংযোজন, ‘যন্তর মন্তরে এবং দেশজুড়ে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তার সুযোগ নিয়ে কোনও রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, দেশের ঐক্য ও সংহতি যাতে বজায় থাকে, ভারতে পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎও যাতে কোনও রকম আইনি জটিলতায় জড়িয়ে না পড়ে এবং আমাদের সন্তানরা যাতে কোনও বাধা ছাড়াই লেখাপড়া ও কেরিয়ার গড়ায় মনোনিবেশ করতে পারে—এই সব দিক বিবেচনা করেই আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছি।’

এক মাস ধরে চলতে থাকা আন্দোলনে ইতি টানতে শুক্রবার ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় বৈঠকে বসেছিলেন সরকারের দুই শীর্ষ মন্ত্রী, জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং। কিন্তু দু’ঘণ্টা আলোচনার শেষে ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার দাবিতে অনড় ছিলেন CJP-র দুই প্রতিনিধি সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *