বড়খলা ও ধলাইয়ে পাঁচটি গ্রামীণ সড়ক প্রকল্পের শিলান্যাস পরিমলের

Spread the news

বরাক তরঙ্গ, ৯ অক্টোবর : প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা (PMGSY-IV)-এর আওতায় কাছাড় জেলার বড়খলা ও ধলাই বিধানসভা এলাকায় পাঁচটি গ্রামীণ সড়ক প্রকল্পের শিলান্যাস করলেন শিলচরের সাংসদ পরিমল শুক্লবৈদ্য। শুক্রবার আয়োজিত পৃথক অনুষ্ঠানে মোট ১১ কোটি ৩১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৭৪০ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পগুলির শিলান্যাস করা হয়। এই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি এলাকার আর্থসামাজিক বিকাশে গতি আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

শিলান্যাস হওয়া পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ক্লেভারহাউস পার্ট-১ থেকে ধর্মখাল পানিভোরা সড়ক, যার জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২ কোটি ২ লক্ষ ৯১ হাজার ৬৮৩ টাকা। কৃষ্ণপুর থেকে বিনয় পুঞ্জি সড়ক নির্মাণে ব্যয় হবে ১ কোটি ৯ লক্ষ ৮৬ হাজার ৩৫০ টাকা। চন্দ্রপুর থেকে ভূটানখাল হয়ে মনিয়েরখাল টি এস্টেট পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে বরাদ্দ ২ কোটি ৬৯ লক্ষ ৯৫ হাজার ৪২০ টাকা। ভুবান্দারের জগন্নাথ মন্দির সংলগ্ন এলাকা থেকে নাগা পুঞ্জি সড়কের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৯৯ লক্ষ ৫৮ হাজার ৯৭২ টাকা। অন্যদিকে, ভুবান্দার পোস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা থেকে টুপিধর পার্ট-১ পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে ব্যয় হবে ৪ কোটি ৪৯ লক্ষ ৫০ হাজার ৩১৫ টাকা। কয়েকটি প্রকল্পে ক্রস-ড্রেনেজ ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাংসদ পরিমল শুক্লবৈদ্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার নেতৃত্বে গ্রামীণ সড়ক পরিকাঠামোর উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এই সড়কগুলি নির্মিত হলে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা, কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তিনি আরও জানান, কাছাড় জেলায় প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনার অধীনে আরও কয়েকটি প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। শীঘ্রই সেগুলিরও শিলান্যাস করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। তাঁর বক্তব্য, গ্রামীণ এলাকার সঙ্গে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে মানুষের জীবনযাত্রার মান বাড়বে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রসারিত হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বড়খলার বিধায়ক কিশোর নাথ, ধলাইয়ের বিধায়ক অমিয়কান্তি দাশ, সংশ্লিষ্ট পূর্ত বিভাগের নির্বাহী বাস্তুকার বনজিৎ অধিকারী, বিজেপির চাতলা মণ্ডল সভাপতি মানব সিং, প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য শশাঙ্ক চন্দ্র পাল-সহ পূর্ত বিভাগের আধিকারিক, বিজেপি কর্মী এবং স্থানীয় নাগরিকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *