২৩ জুন: আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠা এক রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নিল নরওয়ে। তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলে সেনেগালকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে ইউরোপের দলটি। মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘আই’ গ্রুপের ম্যাচে দুর্দান্ত লড়াই করেও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে সেনেগালকে।
ম্যাচের ৪৩ মিনিটে মার্কুস হোমগ্রেন পেদারসেনের গোলে এগিয়ে যায় নরওয়ে। বিরতির পরপরই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হলান্ড। তবে হাল ছাড়েনি সেনেগাল। ৫৫ মিনিটে ইসরাইলা সারের গোলে ম্যাচে ফেরার আশা জাগে আফ্রিকার প্রতিনিধিদের। কিন্তু পাঁচ মিনিট পর আবারও জ্বলে ওঠেন হলান্ড। নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোল করে নরওয়েকে স্বস্তির অবস্থানে নিয়ে যান তিনি।
নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত তৃতীয় মিনিটে আবারও গোল করেন সারে। তার জোড়া গোলে শেষ মুহূর্তে প্রত্যাবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিল সেনেগাল। কিন্তু বাকি সময়ে আর সমতা ফেরাতে না পারায় পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় সাদিও মানের দলকে।
এই ম্যাচে জোড়া গোল করে চলতি বিশ্বকাপে দুই ম্যাচে চার গোল পূর্ণ করেছেন হলান্ড। ফলে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তিনি উঠে এসেছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপের সমতায়। পাঁচ গোল নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন লিওনেল মেসি। জাতীয় দলের হয়ে ৫২ ম্যাচে হলান্ডের গোলসংখ্যাও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯-এ।
পরিসংখ্যানের বিচারে বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল সেনেগাল। তবে সুযোগ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে নরওয়ের নিখুঁত দক্ষতাই গড়ে দেয় ব্যবধান। কার্যকর ফুটবল খেলেই গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নেয় স্ক্যান্ডিনেভিয়ানরা।
গ্রুপের অন্য ম্যাচে ইরাককে ৩-০ গোলে পরাজিত করে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। দুই ম্যাচ শেষে ফ্রান্স ও নরওয়ে উভয়ের সংগ্রহ ৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে এখনও পয়েন্টের দেখা পায়নি সেনেগাল ও ইরাক। তবে গোল ব্যবধানের হিসেবে সেরা তৃতীয় দল হিসেবে নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনা এখনও টিকে আছে সেনেগালের।



