বরাক তরঙ্গ, ১ জুলাই : অসম-মিজোরাম সীমান্তে বনভূমির মূল্যবান ও শতবর্ষী গাছ কাটায় এলাকাজুড়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার একটি বিশাল পিং গাছ কেটে স্থানীয় কৃষক অজিত রায়ের ধানক্ষেতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে রাতের অন্ধকারে গাছটির কাঠ সরিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এতে তাঁর ধানক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
গ্রামবাসীর বক্তব্য, গত কয়েক বছরে অন্তত ১০ থেকে ১২টি মহামূল্যবান ও বহু পুরোনো গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এর মধ্যে দেড়শো বছরেরও বেশি পুরোনো গাছও রয়েছে বলে তাঁদের দাবি। এতে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে সীমান্তবর্তী এলাকার প্রাকৃতিক সুরক্ষাবলয়ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা।
ঘটনায় বন বিভাগের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি একাধিকবার বন বিভাগের নজরে আনা হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বনকর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও অভিযোগকারীদের দাবি, দৃশ্যমান কোনও পদক্ষেপ ছাড়াই তাঁরা ফিরে যান।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ধলাই কেন্দ্রের ফ্রেঞ্চনগর পিংটিলা এলাকায় অবস্থিত বর্ডার আউটপোস্টে কর্মরত কিছু পুলিশ সদস্যরা গত কয়েক বছরে ধাপে ধাপে বহু মূল্যবান গাছ কেটে সরিয়ে নিয়েছেন। সম্প্রতি আরও কয়েকটি বড় গাছ কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।



