১০ অক্টোবর : মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে ককরোচদের বিক্ষোভে ব্যাপক পুলিশি ধড়পাকড়ের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশন। শনিবার দিল্লি পুলিশের পদক্ষেপ ও গণ আটকের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দেওয়া হল রাষ্ট্রসংঘের তরফে। যেখানে বলা হয়েছে, এই বিক্ষোভে পুলিশ যাদের আটক করেছে তাঁদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
শনিবার রাতে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশনের মুখপাত্র থামিন আল-খিতান দিল্লির ঘটনায় এক বিবৃতি জারি করেন। যেখানে বলা হয়েছে, ‘আজ দিল্লিতে ব্যাপক বিক্ষোভ চলাকালীন ও বিক্ষোভের আগে বিক্ষোভকারী, প্রতিবাদী নেতা, নাগরিক আইনজীবী ও সাংবাদিকদের গণ আটক করা হয়েছে। এই ঘটনায় আমরা ভীষণভাবে উদ্বিগ্ন।’ এক্ষেত্রে রাষ্ট্রসংঘের তরফে ৩টি বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, ১.শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারকে সম্পূর্ণরূপে সম্মান করতে হবে। প্রতিবাদে যে কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি হলে সেই পদক্ষেপের সিদ্ধান্তকে কঠোর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। ২. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চরম সংযম দেখাতে হবে, যা ভারতের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য ও মানবাধিকার বিষয়ক বাধ্যবাধকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এবং ৩. যাদের নির্বিচারে আটক করা হয়েছে, তাদের অবিলম্বে ও নিঃশর্তে মুক্তি দিতে হবে। রাষ্ট্রসংঘ আরও বলেছে, বিক্ষোভকারীরা যে ইস্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করছে তাঁদের সেই উদ্বেগ নিরসনে কর্তৃপক্ষকে আলোচনায় বসতে হবে এবং তাঁদের উদ্বেগ নিরসন করতে হবে।
প্রসঙ্গত, শনিবার যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা বিক্ষোভের আগেই কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছিল দিল্লি পুলিশ। এদিন বিমানবন্দরেই সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করা হয়। এর পর চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন ও মানিক সরকার, বিরোধী নেতা, আইনজীবী ও সাংবাদিক-সহ ৩০০০ থেকে ৭০০০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই ব্যাপক ধড়পাকড়ের ঘটনায় এবার উদ্বেগ প্রকাশ করে, তাঁদের মুক্তির দাবিতে সরব হল রাষ্ট্রসংঘ।
খবর : সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।



