বরাক তরঙ্গ, ২৫ সেপ্টেম্বর : বিদ্যাভারতী অখিল ভারতীয় শিক্ষা সংস্থান, নয়াদিল্লির উদ্যোগে দেশব্যাপী ‘নমামি ভারতম’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার পানিভরার সরস্বতী বিদ্যানিকেতনের আয়োজনে ‘বন্দে মাতরম’ সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। মা দুর্গা বিবাহ ভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, পড়ুয়া ও অভিভাবকরা অংশগ্রহণ করেন।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অশ্বিনী কুমার সিংহের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কাবুগঞ্জ জনতা কলেজের ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মুন্নি দেব মজুমদার। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের দক্ষিণ কাছাড় জেলা সংঘচালক অশোক কুমার বর্মণ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সরস্বতী বিদ্যানিকেতন পরিচালন সমিতির সম্পাদক সুরজিৎ রুদ্রপাল, প্রধান আচার্য্যা ঋতুপর্ণা পাল, জিলা পরিষদ সদস্যা পম্পী নাথ চৌধুরী, এসবিআই পানিভরা শাখার ম্যানেজার ইন্দ্রাণী নন্দী-সহ বিশিষ্টজনেরা।

প্রদীপ প্রজ্বলন এবং ভারতমাতা ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে দেশাত্মবোধক নৃত্য-গীত ও ‘বন্দে মাতরম’ সমবেত সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন সমাজকর্মী কমলেশ দাশ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মুন্নি দেব মজুমদার ‘বন্দে মাতরম’-এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘বন্দে মাতরম’ শুধু একটি কাব্যিক রচনা নয়, এর সঙ্গে ভারতীয় দর্শন, সংস্কৃতি ও জাতীয় চেতনার গভীর যোগ রয়েছে। গানের দেড়শো বছরের যাত্রাপথের বিভিন্ন দিকও তিনি তুলে ধরেন।
এদিন সকালে এলাকার ছয়টি বিদ্যালয়ের পড়ুয়া, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের নিয়ে প্রভাতফেরির আয়োজন করা হয়। এতে ধলাইয়ের বিধায়ক অমিয় কান্তি দাস উপস্থিত থেকে পড়ুয়াদের উৎসাহিত করেন। অনুষ্ঠানে অশ্বিনীকুমার সিংহ ও অশোক কুমার বর্মণ ‘বন্দে মাতরম’-এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য রাখেন। শেষে সমবেত জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।



