বিধায়কের কথামতোই বারইগ্রাম হাসপাতালে পানীয়জলের সঙ্কট নিরসনে শুরু সংস্কার কাজ

Spread the news

মোহাম্মদ জনি, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ২৩ জুন :
দীর্ঘদিন ধরে বিশুদ্ধ পানীয় জলের সংকটে ভুগছিল বারইগ্রাম মহাত্মা গান্ধী আদর্শ হাসপাতাল। রোগী, রোগীর পরিজন, চিকিৎসক এবং হাসপাতালের কর্মীদের জন্য এটি ছিল এক বড় সমস্যা। অবশেষে সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগী হলেন দক্ষিণ করিমগঞ্জের বিধায়ক তথা হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান আমিনুর রশিদ চৌধুরী।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জল সরবরাহ ব্যবস্থায় বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে স্বাভাবিক পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছিল। বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট মহলে উত্থাপিত হলেও কার্যকর সমাধান না হওয়ায় প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসা শত শত মানুষকে দুর্ভোগের মুখে পড়তে হচ্ছিল।

সম্প্রতি হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিষয়টিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্ব দেন বিধায়ক আমিনুর রশিদ চৌধুরী। সরকারি ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝেও তিনি হাসপাতালের সমস্যার খোঁজখবর নিয়ে দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তাঁর উদ্যোগে গুয়াহাটি থেকে অভিজ্ঞ ও দক্ষ টেকনিশিয়ানদের একটি বিশেষজ্ঞ দল বারইগ্রামে এসে পানীয় জল সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটি চিহ্নিত করার কাজ শুরু করেছে।
ইতোমধ্যে জল সরবরাহ ব্যবস্থার মেরামত ও সংস্কার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, চলমান কাজ দ্রুত সম্পন্ন হলে হাসপাতালের দীর্ঘদিনের পানীয় জলের সংকট অনেকটাই দূর হবে এবং রোগী ও সাধারণ মানুষ আরও উন্নত পরিষেবা পাবেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বহুদিন ধরে চলা এই সমস্যার সমাধানে বিধায়কের দ্রুত হস্তক্ষেপ সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। হাসপাতালের পরিষেবার মানোন্নয়নে নেওয়া এই পদক্ষেপকে তাঁরা স্বাগত জানিয়েছেন। রোগীর পরিজনদেরও বক্তব্য, পানীয় জলের অভাবে দীর্ঘদিন নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। অবশেষে প্রশাসনিক উদ্যোগে সমস্যার সমাধান প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

এলাকার সচেতন মহলের মতে, মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান নিশ্চিত করাই একজন জনপ্রতিনিধির প্রধান দায়িত্ব। বারইগ্রাম মহাত্মা গান্ধী আদর্শ হাসপাতালের পানীয় জলের সংকট নিরসনে নেওয়া এই উদ্যোগ সেই দায়িত্ববোধেরই প্রতিফলন। এলাকাবাসীর আশা, সংস্কার কাজ দ্রুত শেষ হলে হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও উন্নত হবে এবং রোগীদের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *