বরাক তরঙ্গ, ২৭ সেপ্টেম্বর : পূর্বনির্ধারিত বিশেষ স্বেচ্ছাসেবক সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল অসম পুলিশের বিরুদ্ধে। সম্মেলন শুরুর আগেই দলের একের পর এক কেন্দ্রীয় নেতা ও প্রতিনিধিকে আটক করে পুলিশ। মোট ৪১ জন CJP সদস্যকে আটক করা হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দিল্লি থেকে আসা CJP-র কেন্দ্রীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাংকা ছিলেন। দিশপুরসহ গুয়াহাটির বিভিন্ন এলাকা থেকে ৩৭ জনেরও বেশি CJP নেতা ও প্রতিনিধিকে আটক করা হয়। পরে রাতের দিকে আটক সকল ৪১ জনকে মুক্তি দেয় পুলিশ। যেসব স্থান থেকে তাঁদের আটক করা হয়েছিল, সেখানেই তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
এছাড়া নাগাল্যান্ড থেকে আসা তিনজন CJP সমর্থককেও আটক করা হয়। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীকেও পুলিশ আটক করেছে বলে দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
আটকের সময় CJP-র কেন্দ্রীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাংকা অসম পুলিশ ও মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রকৃত চিত্র প্রকাশ্যে আসবে—এই আশঙ্কাতেই তাঁদের কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কাজিরাঙায় মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া, জল-জঙ্গল-জমি পুঁজিপতিদের হাতে তুলে দেওয়া এবং বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে CJP প্রশ্ন তুলতে চায়। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।
আশুতোষ রাংকার সঙ্গে আরও তিন কেন্দ্রীয় নেতা—বরুণ আগরওয়াল, অঙ্কিত ভরদাস ও আকাশ আনন্দ—আটক হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। রাজ্যস্তরের নেতাদের মধ্যে শেখ সাহিল উদ্দিন, ঋত্বিক বরুয়া, সমীর বরুয়া ও মিন্টু দাসসহ আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়।



