২৬ সেপ্টেম্বর : মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ। শনিবার সকাল ৮টার দিকে নদী থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ আরও একজনের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন হেলাল উদ্দিনের ছেলে সজিব ও সামিন এবং মেয়ে সামিয়া। তাদের বাবা হেলাল উদ্দিন এখনও নিখোঁজ।
এর আগে ট্রলারডুবির পর রাশিদা (৫৫) নামে এক নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ফলে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার শ্রীমন্দী গ্রাম থেকে সোনারগাঁয়ের মায়াময়ী গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গরু-ছাগলসহ ১৩ জন একটি ট্রলারে করে বৈদ্যেরবাজারের উদ্দেশে রওনা হন। মেঘনা নদীর মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি। একপর্যায়ে সেটি উল্টে নদীতে ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার সময় ট্রলারে থাকা আটজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। পরে নিখোঁজ চারজনের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ নদীতে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। শনিবার তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হলেও হেলাল উদ্দিনের সন্ধানে অভিযান এখনও চলছে।



