শমীন্দ্র পাল, কাটিগড়া
বরাক তরঙ্গ, ১২ আগস্ট : আসন্ন স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিকে সফল করে তুলতে কাছাড় জুড়ে শুরু হয়েছে তিরঙ্গা যাত্রা ও দেশাত্মবোধক কর্মসূচি। বুধবার জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপির পৃথক মণ্ডলের উদ্যোগে আয়োজিত বর্ণাঢ্য পদযাত্রায় দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।
কাটিগড়া বিধানসভা কেন্দ্রে তিনটি পৃথক তিরঙ্গা যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। কালাইন মণ্ডলের উদ্যোগে জগন্নাথ মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে, কাটিগড়া মণ্ডলের উদ্যোগে মণ্ডল কার্যালয়ের সামনে থেকে এবং বদরপুর পাঁচগ্রাম মণ্ডলের উদ্যোগেও পৃথক তিরঙ্গা যাত্রা শীর্ষক পদযাত্রা করা হয়। তিনটি কর্মসূচিতেই উপস্থিত ছিলেন কাটিগড়ার বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ। তাছাড়াও স্থান ভেদে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি বিপ্লব কান্তি পাল, মণ্ডল সভাপতি নিত্য গোপাল দাস, বিশালাক্ষ দেব ও মিঠুন শুক্লবৈদ্য।
এছাড়াও বর্ষীয়ান দলীয় নেতা নির্মলেন্দু ভট্টাচার্য, সুখেন্দু কর সহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।
অন্যদিকে, বড়খলার শ্রীকোনা মণ্ডলের উদ্যোগেও এদিন কালাইন-শিলচর সড়কের শিমুলতলা থেকে চান্দপুর পেট্রোল পাম্প পর্যন্ত বর্ণাঢ্য রেলির আয়োজন করা হয়। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে শত শত মানুষ এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন। দেশাত্মবোধক স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।
প্রতিটি তিরঙ্গা যাত্রায় জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা ‘জয় হিন্দ’, ‘বন্দে মাতরম’, ‘ভারত মাতা কি জয়’-সহ বিভিন্ন দেশাত্মবোধক স্লোগান দিতে দিতে পথ পরিক্রমা করেন। পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে কর্মসূচি পায় উৎসবের আবহ।
বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ বলেন, ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হল স্বাধীনতার চেতনা ও দেশপ্রেমকে আরও গভীরভাবে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া এবং জাতীয় পতাকার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তোলা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই অভিযানের বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই তিরঙ্গা যাত্রার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে কাছাড়ের বিভিন্ন এলাকায় এই ধরনের কর্মসূচি ঘিরে মানুষের মধ্যে দেশাত্মবোধের আবেগ ও উৎসাহ নতুন মাত্রা পেয়েছে।



