২৮ জুন : প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের পর দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে পানামাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। জুড বেলিংহ্যামের এক গোল ও এক অ্যাসিস্টে ভর করে থমাস টুখেলের শিষ্যরা ‘এল’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে। রবিবার নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতে ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলে পানামা। প্রথম মিনিটেই টমাস রদ্রিগেসের জোরালো শট দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। এরপর বলের নিয়ন্ত্রণ নিলেও একের পর এক আক্রমণ গড়েও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি ইংল্যান্ড।
মার্কাস রাশফোর্ড, বুকায়ো সাকা, হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যাম একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও পানামার সুসংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হন। অন্যদিকে পাল্টা আক্রমণে কয়েকবার ইংল্যান্ডের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করলেও গোল করতে পারেনি পানামা। ফলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।
বিরতির পর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৬২তম মিনিটে কর্নার থেকে জুড বেলিংহ্যামের দারুণ হেডে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। পাঁচ মিনিট পর বেলিংহ্যামের নিখুঁত ক্রস থেকে শক্তিশালী হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের ১১টি গোল করেন কেইন এবং ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডে এককভাবে শীর্ষস্থান দখল করেন।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর মরিয়া হয়ে আক্রমণে ঝাঁপায় পানামা। শেষদিকে ফাজার্দোর একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। অতিরিক্ত সময়েও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও পিকফোর্ডকে আর পরাস্ত করতে পারেনি তারা।
শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড। এই জয়ে তিন ম্যাচে সাত পয়েন্ট নিয়ে ‘এল’ গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করে নকআউট পর্বে উঠেছে থমাস টুখেলের দল। জয়ের নায়ক জুড বেলিংহ্যাম, যিনি এক গোল করার পাশাপাশি আরেকটি গোলে সহায়তা করে ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স উপহার দেন।



