দক্ষিণ করিমগঞ্জে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ, কুদ্দুসকে সামনে রেখে তৎপর কৃষ্ণেন্দু-সিদ্দেক

Spread the news

মোহাম্মদ জনি, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ১৪ মার্চ : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে বরাক উপত্যকার রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি আলোচিত আসনগুলির মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠেছে দক্ষিণ করিমগঞ্জ। নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই আসনকে কেন্দ্র করে জমে উঠছে রাজনৈতিক অঙ্ক। এই পরিস্থিতিতেই নতুন সমীকরণ তৈরি করে নির্বাচনী ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন অসম গণ পরিষদের সম্ভাব্য প্রার্থী, রাজ্যের প্রথম সারির ঠিকাদার ও উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিত্ব আব্দুল কুদ্দুস।

দক্ষিণ করিমগঞ্জ বিধানসভা আসনটি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত হওয়ায় বরাবরই এই কেন্দ্রকে ঘিরে থাকে বাড়তি রাজনৈতিক কৌতূহল ও উত্তেজনা। এবারের নির্বাচনে সেই উত্তেজনা আরও বেড়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আব্দুল কুদ্দুসের সক্রিয় রাজনৈতিক আবির্ভাবের ফলে। রাজনৈতিক মহলের মতে, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সক্রিয় রাজনীতিতে নেমে কুদ্দুস যে ভাবে জনসংযোগ বাড়াচ্ছেন এবং বিভিন্ন স্তরের সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করছেন, তা ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

রাজনীতি মহলের সত্রে পাওয়া খবরের প্রকাশ রাজ্যের বিজেপি মিত্রজোট সরকারের অন্যতম শরিক দল অসম গণ পরিষদের তরফে আব্দুল কুদ্দুসের প্রার্থীত্ব প্রায় নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই দক্ষিণ করিমগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্কে বড়সড় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে প্রাক্তন কংগ্রেসের মন্ত্রী তথা বর্তমান বিধায়ক সিদ্দেক আহমদ নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়ে দক্ষণ করিমগঞ্জ আয়ানের কংগ্রেস দিলের টিিকেটের দাবিদার এক গুচ্ছো নেতাকে রাজনীতিক ময়দানে কোনঠাসা,করতে নিজে ময়দান থেকে সেচছায় সরে দাড়িয়ে বিশিষ্ট ঠিকাদার তথা মুখ্যমন্ত্রী  হিমন্ত বিশ্ব শর্মা মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল ও তার নিজের ঘনিষ্ঠ আব্দুল কুদ্দুসকে সমর্থন জানিয়ে তার পক্ষে মাঠে নেমেছেন বলে শ্রীভূমি জেলা সহ বরাক উপত্যকার রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জানা গেগে এই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও শক্তিশালী করতে সম্প্রতি দক্ষিণ করিমগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বিভিন্ন গাঁও পঞ্চায়েতের সভাপতি, সদস্য ও ওয়ার্ড প্রতিনিধিদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় গেছে। খবরে প্রকাশ  সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল, দক্ষিণ করিমগঞ্জের বিধায়ক সিদ্দেক আহমদ রামকৃষ্ণনগরের ব্ধাদয়ক বিজয় মালাকার এবং শ্রীভূমি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অনিল কুমার ত্রিপাঠি।

বৈঠকে অসম গণ পরিষদের সম্ভাব্য প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুসও উপস্থিত ছিলেন বলে সুত্রের খবর। এতে জানা গেছে, দক্ষিণ করিমগঞ্জের সার্বিক উন্নয়ন, আগামী দিনের পরিকল্পনা এবং নির্বাচনী রণকৌশল নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি পঞ্চায়েত স্তরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করে কুদ্দুসকে সামনে রেখে আগামী দিনে দক্ষিণ করিমগঞ্জের উন্নয়নের রূপরেখা নিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল ও বিধায়ক সিদ্দেক আহমদের সক্রিয় উদ্যোগে দক্ষিণ করিমগঞ্জে এখন থেকেই নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে। কুদ্দুসকে সামনে রেখে সংগঠনকে শক্তিশালী করা, গ্রামীণ স্তরে জনসংযোগ বাড়ানো এবং উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কৌশল নিয়ে জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে।

রাজনীতিতে তুলনামূলকভাবে নবাগত হলেও মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল ও বিধায়ক সিদ্দেক আহমদের স্বশরীরে সহযোগীতায় ভোটের প্রাক কালে একেবারে সল্প সময়ের মধ্যেই সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন এবং উন্নয়নমূলক ভাবনার মাধ্যমে আব্দুল কুদ্দুস ইতিমধ্যেই বাকি প্রার্থীত্বের দাবিদারদের পিছনে ফেলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, আগামী দিনে দক্ষিণ করিমগঞ্জের নির্বাচনী লড়াইয়ে এই নতুন সমীকরণ কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে দিসপুর সহ বরাক উপত্যকার রাজনৈতিক অঙ্গন।

শ্রীভূমি জেলার রাজনীতিক মহলের মতে ঠিকাদার আব্দুল কুদ্দুসকে সামনে রেখে মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু ও বিধায়ক সিদ্দেকের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে দক্ষিণ করিমগঞ্জে রাজনৈতিক তৎপরতা বোজতে  অসুবিধা হচ্ছে না যে শ্রীভূমি জেলায়  কংগ্রেস শুন্য মনবাসনা নিয়ে একালের রাজনীতিক ময়দানের গুরু শিশ্য একঘাটদ জন পান করতে নেমেছেন সিদ্দেশ-কৃষ্ণেন্দু এতে বিরোধী দল কংগ্রেসের জিতার সম্ভব না থাকা একটি আসন হাত ছাড়া হওয়ার সম্ভ না প্রবল হয়ে উঠেছে।দক্ষিণ করিমগঞ্জে রাজনৈতিক মহলে এমন  তৎপরতা নতুন করে জোরদার হচ্ছে।সম্ভাব্য প্রার্থী কুদ্দুসকে নিয়ে মিত্র জোট প্রার্থীর নাম সামনে আসতেইন তুন করে  রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও জল্পনা। এই পরিস্থিতিতে এলাকার সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিরোধী দল কংগ্রেস সহ অন্যান্য দলের প্রার্থীত্বের দাবি দার রা দীর্ঘ দিন থেকে মাঠ চষে বেড়াতে দেখা গেলেও বর্তমান তাদের চোখ ঘুম উগরে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। পুড়েখাওয়া  রাজনীতিক নেতা সিদ্দেক ও কৃষ্ণেন্দু চালে কংগ্রেস প্রার্থী দাবিদার দের স্বপ্ন ভঙ্গ হওয়া,পথে বলে এমনই আলোচনা চলছে দক্ষিণ করিমগঞ্জের বাতাসে।

গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন রাজ্যের মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পল এবং বিধায়ক সিদ্দেক আহমেদ। সূত্রের খবর, বৈঠকে দক্ষিণ করিমগঞ্জের বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণ, সংগঠন শক্তিশালী করা এবং আগামী দিনের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বর্তমান কুদ্দুসের প্রার্থীত্ব এখন অনুষ্ঠিক ভাবে দল ঘোষনা  না করলেও সন্বাব্য প্রার্থী দরে নিয়ে কুদ্দুসকে সামনে রেখে সংগঠনকে আরও সক্রিয় করা এবং এলাকায় জনসংযোগ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দিয়ে মাঠে ঝাপিয়ে পারেছেন সিদ্দেক বাহীনি সহ মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে মূখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার ঘনিষ্ঠ শ্রীভূমির জেলার দুই নেতা উপস্থিতিতে দক্ষিণ করিমগঞ্জের রাজনীতিতে নতুন বার্তা বহন করছে।

অন্যদিকে, বিজেপি এজেপি দলীয় কর্মীদের পাশাপাশি  সিদ্দেক সমর্থকদের মধ্যেও নতুন উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কুদ্দুকে সাবনে রেখে আগামী দিনে এলাকায় আরও বড় রাজনৈতিক কর্মসূচির ইঙ্গিতও মিলেছে বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে রাজনীতির ময়দানে নবাগত  কুদ্দুসকে ঘিরে দক্ষিণ করিমগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে, তা আগামী দিনের দক্ষিণ করিমগঞ্জের  রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।জেলার রাজনৈতিক মহলের মতে দক্ষিণ করিমগঞ্জ বরাবরই বরাক উপত্যকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্র।এই কেন্দ্র লেংমারা রাজনীতি চলে আসছে যোগ যোগ ধরে এবারের নির্চানেও এর ব্যাতিক্রম হচ্ছে না বলে ধরে নিচ্ছে রাজনীতিক মহল। কেননা সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এই আসনে রাজনৈতিক সমীকরণ প্রায়ই পরিবর্তিত হয়।বিধায়ক সিদ্দেক আহমেদ সেচ্ছে নিজে ভোট যোদ্ধ থেকে সরে দাড়ালেও মাঠ ছেড়ে যাওয়ার পাত্র নন তিনি তা বুজিয়ে দিনে তার প্রতিপক্ষদেরকে ঘুমের ঘরে আছন্ন রেখে ক্লিন বোল্ড করে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে নিজের রাজনীতিক জীবনের খাস তালুক দক্ষিণ করিমগঞ্জ আসনটি  উপহার হিসে তোলে দিয়ে নিজের রাজনীতিক কেরিয়ার ও প্রভাব বহাল রাখতে মোক্ষম চাল চালিয়ে যাচ্ছে গুরু বদে উস্তাদ প্রাক্তন মন্ত্রী একাধিক বারের বিধায়ক সিদ্দেক আহমেদ এবার গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে ঠিকাদর কুদ্দুসকে শাসক দল বিজেপির মিত্র জোট অসম গণ পরিষদের (এজিপি) দলের প্রার্থী করে।

সেই চাল নিয়ে এবারের গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে এজিপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আব্দুল কুদ্দুসকে হয়ে সরাসরি মাঠে নেমে পড়েছে সিদ্দেক। তার এই সক্রিয় ভূমিকা এবং বিজেপি এজেপি মিত্রজোটের নেতাদের সমর্থন নতুন রাজনৈতিক অঙ্ক তৈরি করেছে এই সংখ্যালঘু ভোট কেন্দ্রে। জেলার রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই নতুন সমীকরণ আগামী নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।এখন দেখার বিষয় যদি দল কুদ্দুসকে টিকেট প্রধান কটে তবে এই নতুন সমীকরণ শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফলে কতটা প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয় তা হবে লক্ষণীয়।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি সহ একদিক পোস্ট ভাইরাল হতে দেখা যায়। পোস্টে উল্লেখ করা হয় যে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ করিমগঞ্জ বিধানসভা আসন থেকে অসম গণ পরিষদ দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিশিষ্ট ঠিকাদার আব্দুল কুদ্দুস। সম্প্রতি কুদ্দুস রাজ্যের মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। এ সময় মন্ত্রী উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আহ্বান করে জানান, আসন্ন নির্বাচনে অসম গণ পরিষদ দলের প্রার্থীকে জয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নেমে কাজ করতে হবে। অন্যদিকে, দলীয় কর্মীদের অনেকেই আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ঠিকাদার আব্দুল কুদ্দুসের জয় এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। এই আসনে অসম গণ পরিষদের প্রার্থীত্বের আশাস মাঠে রয়েছে দুই নেতা ইকবাল হোসেন ও আইনজীবী দাইয়ান হোসেন
এখন দেখা বিষয় দল শেষ পর্যন্ত
কাকে প্রার্থী করবে কুদ্দুস না ইকবা না দাইয়ান কে? সেটাই হবে লক্ষনীয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *