২৪ জুন : পুনের ঐতিহাসিক লোহাগড় দুর্গে বেড়াতে গিয়ে গভীর খাদে পড়ে মৃত্যু হয় ২৫ বছর বয়সি কেতন বিশাল আগরওয়ালের। প্রথমে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা মনে করা হলেও এটি ছিল এক ঠান্ডা মাথার সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। পুনে পুলিশের সাম্প্রতিক তদন্তে উঠে এসেছে এমনই এক শিউরে ওঠা তথ্য।
পুলিশ জানিয়েছে, কেতনকে ৩৫০ ফুট গভীর খাদে ঠেলে ফেলে খুন (Pushed to Death) করেছেন তাঁর বাগদত্তা সিয়া গোয়েল (২০) এবং সিয়ার প্রেমিক চেতন চৌধুরী (২২)। গত ১৯ জুনের এই ঘটনাকে প্রথমে অসাবধানতাবশত মৃত্যু মনে করা হলেও, ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ আসল রহস্য উদঘাটন করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিবারের পছন্দে আগামী মাসে জয়পুরে ধুমধাম করে কেতন ও সিয়ার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিয়া এই বিয়েতে একদমই রাজি ছিলেন না, কারণ তিনি চেতনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন। কেতনকে নিজেদের সম্পর্কের কাঁটা মনে করে তাঁকে পথ থেকে সরাতেই এই খুনের ছক কষেন তাঁরা। গত ১৯ জুন সিয়ার জন্মদিন উদযাপনের বাহানায় কেতনকে লোহাগড় দুর্গে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে ছবি তোলার অছিলায় পিছন থেকে ধাক্কা দিয়ে খাদে ফেলে দেওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, কেতনকে ৩৫০ ফুট গভীর উপত্যকায় ঠেলে ফেলে খুন করেছেন তাঁর বাগদত্তা সিয়া গোয়েল (২০) এবং সিয়ার প্রেমিক চেতন চৌধুরী (২২)। গত ১৯ জুনের এই ঘটনাকে প্রথমে অসাবধানতাবশত মৃত্যু মনে করা হলেও, ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ আসল রহস্য উদঘাটন করেছে।সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিবারের পছন্দে আগামী মাসে জয়পুরে ধুমধাম করে কেতন ও সিয়ার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিয়া এই বিয়েতে একদমই রাজি ছিলেন না, কারণ তিনি চেতনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন। কেতনকে নিজেদের সম্পর্কের কাঁটা মনে করে তাঁকে পথ থেকে সরাতেই এই খুনের ছক কষেন তাঁরা। গত ১৯ জুন সিয়ার জন্মদিন উদযাপনের বাহানায় কেতনকে লোহাগড় দুর্গে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে ছবি তোলার অছিলায় পিছন থেকে ধাক্কা দিয়ে খাদে ফেলে দেওয়া হয়।
তদন্তে আরও প্রকাশ পেয়েছে যে, এটিই কেতনকে মারার প্রথম চেষ্টা ছিল না। এর আগে ১৪ জুন সাপের ভয় দেখিয়ে কেতনকে পাহাড়ি উপত্যকায় ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু সেবার পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। শুধু তাই নয়, বিয়ের আগে সিয়া ও কেতনের বালি ভ্রমণের কথা ছিল। কিন্তু সেই ট্রিপ বাতিল করতে সিয়া একটি হোটেলের শৌচাগারে নিজের পাসপোর্ট ছিঁড়ে ফেলে দেন এবং পরে দাবি করেন যে সেটি হারিয়ে গিয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সিয়া তথ্য গোপন করার চেষ্টা করলে সন্দেহ দানা বাঁধে। এরপর সিয়ার মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড এবং সোশ্যাল মিডিয়া ঘেঁটে এই খুনের চক্রান্তের অকাট্য প্রমাণ পায় পুলিশ। এই ঘটনায় মূল দুই অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।



