২ সেপ্টেম্বর : মার্কিন বিমান হামলার জবাবে জর্ডান ও কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে বড় ধরনের পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, জর্ডানের ‘ক্যাম্প তিতিন’-এ মার্কিন মেরিন সেনাদের ব্যারাক লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে জর্ডানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
জর্ডানের সামরিক বাহিনী ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ইরান একাধিক দফায় অন্তত ১৩টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এর মধ্যে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। তিতিনের মার্কিন সেনা ব্যারাকে হামলার পর আহত মার্কিন সেনাদের হেলিকপ্টারে করে সরিয়ে নেওয়ার দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, একই সময়ে কুয়েতেও মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। হামলার আশঙ্কায় আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কুয়েতজুড়ে সাইরেন বেজে ওঠে।
গত জুলাইয়ের পর রোববার রাতে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে ‘কঠোর’ আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। সেই হুঁশিয়ারির পর মঙ্গলবার মার্কিন বাহিনী ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালায়। এরপরই মার্কিন হামলার জবাবে ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।



