খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার বাবা ও ভাই, থানায় সশরীরে হাজির নিখোঁজ তরুণী

Spread the news

২৯ মে : এপ্রিল মাস থেকেই ‘নিখোঁজ’ ছিলেন তরুণী। অনেক খোঁজ করেও তাঁর খোঁজ মেলেনি। তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও দাবি করে পুলিশ। ওই খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তরুণীর বাবা এবং ভাইকে। এর পরেই কাহিনিতে ট্যুইস্ট। ‘নিহত’ ওই তরুণী জানালেন তিনি বেঁচে আছেন অক্ষত। শুধু তাই নয়, বৃহস্পতিবার তিনি সশরীরে হাজির হন মহারাষ্ট্রের বুলদানা জেলার জলগাঁও-জামোদ (Jalgaon-Jamod) থানায়। সেখানে গিয়ে নিজের বয়ান রেকর্ড করেন তিনি। সেই সঙ্গে বাবা এবং ভাইকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আর্জিও জানান তিনি।

ওই থানার আধিকারিক অভিষেক যাদব জানিয়েছেন, শিবানীর সঙ্গেই নিখোঁজ হন খাদকি গ্রামেরই বাসিন্দা অরুণ কালমেকার। এই নিয়ে দু’টি পরিবারই থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে। তাঁদের খোঁজে তল্লাশিও শুরু করে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, চলতি মাসের প্রথম দিকে বুলদানা (Buldhana) জেলার জলগাঁও-জামোদ থানার রাজুরা বাঁধের কাছে এক তরুণীর মুণ্ডহীন ও অর্ধদগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। মহারাষ্ট্র পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই দেহ শিবানীরই। তাঁকে খুন করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। এই খুনের অভিযোগে শিবানীর বাবা বাপুরাম কালমেকার এবং ভাই অজয় কালমেকারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

উল্লেখ্য, বুলদানা এবং বুরহানপুর পরস্পর লাগোয়া দু’টি জেলা।

এ দিকে, খোঁজ চালিয়ে শিবানী এবং অরুণের খোঁজ পায় খকনার থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, তাঁরা দু’জনে এক সঙ্গেই গ্রাম ছেড়েছিলেন। কাজের সূত্রে মহারাষ্ট্রের নাসিকে গিয়েছিলেন অরুণ। শিবানীও গিয়েছিলেন তাঁর সঙ্গে।

অভিষেক যাদব জানিয়েছেন, শিবানী যে বেঁচে আছেন তা আগের দিনেই জলগাঁও-জামোদ থানার আধিকারিকদের জানিয়ে দেন তিনি। একই কথা জানিয়েছেন জলগাঁও-জামোদ থানার ওসি নীতীন প্যাটেলও। তিনি জানিয়েছেন, শিবানী নিজেই থানায় এসে পুরো ঘটনা জানিয়ে বাবা এবং ভাইকে ছাড়তে বলেন।

এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে মহারাষ্ট্র পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। কোনও ডিএনএ পরীক্ষা না করেই কেন সেটি শিবানীর বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি পুলিশ আধিকারিকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *