১৪ জুন : বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে মাত্র ২১ মিনিটেই গোল করে ইতিহাস গড়েছিল কুরাসাও। ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্রটির সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তে ধারাভাষ্যকার ইয়ান ডার্ক মন্তব্য করেছিলেন, “হিউস্টনে ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র এক লাখের কিছু বেশি মানুষের একটি দেশ কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীকে বিস্মিত করেছে।” তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। জার্মানির আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে শেষ পর্যন্ত ৭-১ গোলের বড় ব্যবধানে হার মানতে হয়েছে কুরাসাওকে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। খেলার মাত্র ৬ মিনিটে মিডফিল্ডার ফেলিক্স এনমেচার গোলে এগিয়ে যায় তারা। এরপরও জার্মানদের চাপ অব্যাহত থাকলেও ২১ মিনিটে ইতিহাস রচনা করে কুরাসাও। ডান প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে আসা রাইটব্যাক লিভানো কোমেনেনসিয়া বক্সের ভেতরে বল পেয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শটে জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারকে পরাস্ত করেন। সমতাসূচক গোলের পর উল্লাসে ফেটে পড়ে গ্যালারিতে উপস্থিত কুরাসাও সমর্থকেরা।
তবে বিরতির পর ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠা জার্মানি ৫২ মিনিটে ইয়োশুয়া কিমিখের পাস থেকে জামাল মুসিয়ালার দুর্দান্ত গোলে ব্যবধান বাড়ায়। এরপর কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগ ভেঙে পড়ে জার্মান আক্রমণের মুখে।
৬৮ মিনিটে লেফটব্যাক নাথানিয়েল ব্রাউন দলের পঞ্চম গোলটি করেন। ১০ মিনিট পর গোলদাতাদের তালিকায় নাম লেখান ডেনিজ উনদাভ। ম্যাচের শেষদিকে কাই হাভার্টজ নিজের দ্বিতীয় এবং দলের সপ্তম গোলটি করলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৭-১। বিশ্বকাপ অভিষেকে ঐতিহাসিক গোলের স্বাদ পেলেও শেষ পর্যন্ত জার্মানির দাপুটে পারফরম্যান্সের কাছে বড় ব্যবধানে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে কুরাসাওকে।



