বরাক তরঙ্গ, ১৪ জুন : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে গত ১২ বছরে উত্তর-পূর্বাঞ্চল দেশের মূলধারার উন্নয়নের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে যুক্ত হয়েছে এবং বর্তমানে ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ পরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।
রবিবার আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে মোদি সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী রাজ্যস্তরের জনকল্যাণ শিবিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, অবকাঠামো, সুশাসন এবং অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার বিস্তৃত উন্নয়নের ফলে ত্রিপুরা আজ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারে পরিণত হয়েছে।
সোনোয়াল জানান, ১৬ জুন পর্যন্ত চলা এই জনকল্যাণ শিবিরে প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সাধারণ মানুষ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ও পরিষেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

তিনি আরও জানান, ১৫ থেকে ১৭ জুনের মধ্যে আগরতলা পুর নিগমসহ রাজ্যের বিভিন্ন ব্লক, পুর পরিষদ এবং নগর পঞ্চায়েত এলাকায় একই ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র ও বিধায়ক দীপক মজুমদার, অভিষেক দেবরায়সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
এদিন পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে শুরু হওয়া ‘এক পেড় মা কি নাম’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগরতলার নতুননগর গার্লস হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।
এই কর্মসূচিতে শিক্ষা দপ্তরের সচিব মিলিন্দ রামটেকে, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ড. বিশাল কুমার, বিজেপির প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা, কর্পোরেটর জগদীশ দাসসহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে সোনোয়াল নতুননগর গার্লস হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল পরিদর্শন করেন এবং বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো ও শিক্ষাব্যবস্থার খোঁজখবর নেন। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘এক পেড় মা কি নাম’ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপকভাবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর ফলে পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি দূষণ নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



