বরাক তরঙ্গ, ২১ মে : শিলচর শিশুমন্দির স্কুল রোডের বাসিন্দা বাপি দাস (৩০) হত্যাকাণ্ডে তার স্ত্রী মনসা দাস (২৯)-কে আটক করার পর জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে গ্রেফতার করল পুলিশ। গ্রেফতারের পর বুধবার তাকে আদালতে পেশ করা হয়। আদালতের অনুমতিতে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে দুই দিনের জন্য তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে পুলিশ হেফাজতে।
পুলিশ মনসা দাসকে গ্রেফতার করলেও এই ঘটনায় ঘাতক হিসেবে জয়দেব দাস নামে যে যুবককে সন্দেহ করা হচ্ছে সে বর্তমানে পলাতক, তার খোঁজ চলছে। শিশু মন্দির রোডের অদূরবর্তী সানলিট হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা জয়দেবের সঙ্গে মনসার বেশ কিছুদিন ধরে গোপনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল বলে তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। পুলিশের এক সূত্র জানান, তদন্তে প্রাথমিকভাবে যে তথ্য পাওয়া গেছে সে অনুযায়ী, নিজেদের গোপন প্রেমের সম্পর্কে পথের কাঁটা হয়ে উঠায় বাপিকে হত্যার জন্য মনসা ও জয়দেব মিলে ষড়যন্ত্র করে। এরপর রবিবার রাতে জয়দেব বাহানা করে বাপিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ঘটনাটা ঘটায়। এই ঘটনায় জয়দেবের সঙ্গে আরও দু’জন ছিল বলে বাপির পরিজনরা জানিয়েছেন পুলিশকে।
খবর অনুযায়ী, এই হত্যাকাণ্ডে মনসার সংযোগ নিয়ে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় বাপি ও তার দুই শিশু সন্তানের সূত্র থেকে। ওই দুই শিশু সন্তান জানায়, তাদের বাবা বাপির একটা ব্যবস্থা করার জন্য মা মনসাকে বার কয়েক মোবাইলে কথা বলতে শুনেছে জয়দেবের সঙ্গে। এদিকে, ঘটনাকে ঘিরে শিশুমন্দির রোড ও আশপাশ এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্যোর।
জয়দেব সম্পর্কে জানা গেছে সেও বিবাহিত। এরপরও তার বিরুদ্ধে যেভাবে পরকীয়ায় জড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে, এ নিয়ে এলাকা জুড়ে চলছে জোরচর্চা।



