২৯ এপ্রিল : শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে সেই বাহিনীর বিরুদ্ধেই ক্যানসার আক্রান্ত মহিলা থেকে, সাধারণ ভোটারকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, সাতগাছিয়ায় শিশুও বাহিনীর লাঠির ঘায়ে আহত হয়েছে বলে অভিযোগ। তা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তিনি লেখেন, ‘ভোটের দিনে সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালিয়েছে বাহিনী। অমিত শাহের ‘কসাই’ ও ‘জল্লাদ’ বাহিনী নিরীহ শিশুকেও আঘাত করতে ছাড়েনি।’
তারকেশ্বরের ভোটার লাইনে লাঠিচার্জের অভিযোগ উঠেছে বাহিনীর বিরুদ্ধে। ওই বিধানসভায় এক ক্যানসার আক্রান্ত মহিলাকেও মারধর করা হয়েছে, বলে অভিযোগ করেন তৃণমূল প্রার্থী রামেন্দু সিংহরায়। অন্যদিকে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ৯, ১০, ১১ নম্বর বুথে লাঠিচার্জের অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ এক সাধারণ ভোটারকে মারধর করা হয়েছে। লাঠির আঘাতে পিঠ রক্তাক্ত করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এ ছাড়াও, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাতগাছিয়া বিধানসভার ১১৬ নম্বর বুথে শিশুকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। শিশুটি আহত হয়েছে বলে দাবি। যা নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এলাকায়।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠিচার্জে সাতগাছিয়ায় শিশু আহত হওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্র। তিনি সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘কসাইও জল্লাদ বাহিনী একজন নিরীহ শিশুকেও আঘাত করতে ছাড়েনি।’ এছাড়াও দিকে দিকে বাহিনীর বিরুদ্ধে অহেতুক মারধরের অভিযোগ উঠেছে।



