বরাক তরঙ্গ, ২৪ আগস্ট : অসমের সড়ক পরিকাঠামোর উন্নয়ন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জাতীয় মহাসড়কগুলির দ্রুত সংস্কার নিয়ে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। সোমবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে কাজিরাঙা এলিভেটেড করিডর, গুয়াহাটি রিং রোডসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জাতীয় মহাসড়কগুলি দ্রুত মেরামতির পাশাপাশি ভবিষ্যতে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আরও মজবুত ও বন্যা-প্রতিরোধী সড়ক নির্মাণের বিষয়টি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে যোরাবাটে কৃত্রিম বন্যার সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের লক্ষ্যে মহাসড়ক পরিকাঠামোর সামগ্রিক পুনর্নকশা নিয়েও মতবিনিময় হয়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কালভার্ট ও সেতুগুলির নকশা এবং নির্মাণপ্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনে আরও টেকসই পরিকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রমাণভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বন্যার প্রভাব মোকাবিলায় সক্ষম মহাসড়ক নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এ বিষয়ে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
এছাড়া বাইহাটা চারিয়ালি থেকে তেজপুর পর্যন্ত চার লেনের মহাসড়ক নির্মাণের সাম্প্রতিক ঘোষণা, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নুমলিগড়-জাঁজী এবং জাঁজী-ডিব্রুগড় সড়কাংশের দ্রুত মেরামতি, কালাইন-শিলচর চার লেনের মহাসড়ক এবং শ্রীভূমির মধ্য দিয়ে যাওয়া জাতীয় সড়ক ৩৭ ও ৮-এর রক্ষণাবেক্ষণ কাজ ত্বরান্বিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে শিলচর-শিলং এক্সপ্রেস করিডর এবং গহপুর-নুমলিগড় টানেল প্রকল্পের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, দুটি প্রকল্পের প্রাথমিক কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
পাশাপাশি কাছাড় জেলার জাতীয় মহাসড়কগুলির কেন্দ্রীভূত রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি নীতিন গড়কড়ির কাছে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। বিভিন্ন সড়ক প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ এবং প্রকল্পের পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়।



