বরাক তরঙ্গ, ৫ জুন : কাশীপুর দ্বিতীয় খণ্ডের একাধিক গরিব পরিবার ভারতমালা প্রকল্পের জন্য জমি ও বসতভিটা হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। অভিযোগ, ২০২৩ সালের ৫ মে তাঁদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন পর্যায়ে নোটিফিকেশন জারি হলেও ২০২৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর প্রকাশিত তৃতীয় ধাপের নোটিফিকেশনে কয়েকটি জমির দাগে আবেদনকারীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। নাম অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলি নিজেদের নির্মিত ছোট ঘরে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিলেন।
এদিকে, সম্প্রতি কাছাড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহের পর ২০২৬ সালের ২২ মে নির্মাণ ভাঙচুর ও উচ্ছেদের নির্দেশ জারি করা হয়। ওই নির্দেশে ১৫ দিনের মধ্যে এলাকা খালি করার নোটিশ দেওয়া হয়।
উচ্ছেদ নোটিশের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর ২১ জন সদস্য হাইকোর্টে দু’টি পৃথক রিট পিটিশন (ফাইল নং ২৮৯৫/২০২৬ ও ২৯১৫/২০২৬) দায়ের করেন। মামলার শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২২ মে ২০২৬ তারিখের উচ্ছেদ আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করে। পাশাপাশি মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ভাঙচুর বা উচ্ছেদ কার্যক্রম না চালানোর নির্দেশ দেয় আদালত।
এদিকে, আবেদনকারীরা জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিচারাধীন সময়ে তাঁদের জন্য ক্ষতিপূরণ অথবা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা দ্রুত নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এদিন উপস্থিত ছিলেন সাজু বড়ভূইয়া, সেবুল হোসেন বড়ভূইয়া, আকবর হোসেন বড়ভূইয়া, ফারুক আহমেদ বড়ভূইয়া, খাইরুন নেছা মজুমদার, সঞ্জীবকুমার দাস, দিলীপকুমার দাস সহ অন্যান্য আবেদনকারীরা।



