১৪ সেপ্টেম্বর : ইউক্রেনের পোল্যান্ড সীমান্তবর্তী ইয়াহোদিন এলাকায় একটি ট্রেনে ড্রোন হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে। হামলায় ট্রেনটির ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। উল্লেখযোগ্যভাবে, হামলার মাত্র কিছুক্ষণ আগে একই রেলপথ দিয়ে অন্য একটি ট্রেনে ওই এলাকা অতিক্রম করেছিলেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং ইউরোপের কয়েকটি দেশের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে সংস্থা উকরজালিজনিৎসিয়া জানিয়েছে, রুশ বাহিনী জেটচালিত ড্রোন ব্যবহার করে ট্রেনটিতে হামলা চালায়। হামলার শিকার ট্রেনের যাত্রীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, কিয়েভে অনুষ্ঠিত একটি সম্মেলন শেষে বরিস জনসন, যুক্তরাজ্যের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জোনাথন পাওয়েলসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ওই রেলপথ দিয়ে ফিরছিলেন। তবে তারা হামলার শিকার ট্রেনে ছিলেন না। তাদের জন্য নির্ধারিত কূটনৈতিক ট্রেনটি সময়সূচিতে পরিবর্তন এবং রুশ হামলার ধারাবাহিক হুমকির কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই স্টেশন ছেড়ে যায়। ফলে হামলার সময় তারা ওই এলাকায় থাকলেও আক্রান্ত ট্রেনে ছিলেন না।
রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, ড্রোন আঘাত হানার প্রায় ১৫ মিনিট আগে আক্রান্ত ট্রেনটির যাত্রীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এরপরই ড্রোনটি ট্রেনটির ইঞ্জিনে আঘাত হানে।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বরিস জনসন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সমালোচনা করেন। ইউক্রেনের ওপর প্রতিদিনের হামলাকে অর্থহীন বলে উল্লেখ করে তিনি দেশটির মিত্রদের দ্রুত আরও কার্যকর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের আহ্বান জানান।
রুশ হামলা মোকাবিলায় ইউক্রেন দীর্ঘদিন ধরেই তার মিত্রদের কাছে আরও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক সরবরাহের আবেদন জানিয়ে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনে হামলার ক্ষেত্রে দ্রুতগতির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং জেটচালিত ড্রোনের ব্যবহারও বেড়েছে।



