সিদ্দেক আহমেদের প্রতি শ্রদ্ধা মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল ও বিধায়ক সামিমের

Spread the news

মোহাম্মদ জনি, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ১৪ সেপ্টেম্বর : অসম সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী, দক্ষিণ করিমগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের চার বারের বিধায়ক ও বর্ষীয়াননেতা সিদ্দেক আহমেদের প্রয়াণে দক্ষিণ করিমগঞ্জসহ বৃহত্তর বরাক উপত্যকার রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রবিবার সকাল ৮টা ১০ মিনিটে বরাইগ্রামের নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে অগণিত মানুষ তাঁর বাসভবনে ভিড় জমান।

প্রয়াত নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি, পার্বত্য ও বরাক উপত্যকা উন্নয়ন বিভাগের মন্ত্রী তথা পাথারকান্দির বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু পাল। শোকবার্তায় তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সিদ্দেক আহমেদ জনজীবনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং দক্ষিণ করিমগঞ্জের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির প্রয়াণ রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল প্রয়াত সিদ্দেক আহমেদের বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও অসংখ্য গুণগ্রাহীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এই কঠিন সময়ে মহান সৃষ্টিকর্তা যেন পরিবারকে শোক সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য প্রদান করেন—এই প্রার্থনাও করেন তিনি।

অন্যদিকে, দক্ষিণ করিমগঞ্জের বর্তমান বিধায়ক তথা উপ-মুখ্য সচেতক আমিনুর রশিদ চৌধুরী সামিমও প্রবীণ এই নেতার প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। আবেগঘন শোকবার্তায় তিনি বলেন, সিদ্দেক আহমেদের মৃত্যু দক্ষিণ করিমগঞ্জের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মানুষের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি ও অধিকার নিয়ে তাঁর ভূমিকা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বিধায়ক।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক মত ও পথের পার্থক্য থাকলেও একজন প্রবীণনেতা হিসেবে সিদ্দেক আহমেদের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা চিরঅটুট থাকবে। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততার কথা আগামী দিনেও স্মরণ করা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে, রবিবার বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে চেরাগি ঈদগাহ সংলগ্ন মাঠে অগণিত মানুষের উপস্থিতিতে সিদ্দেক আহমেদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষ শেষ বিদায়ে অংশ নেন। তাঁর প্রয়াণে দক্ষিণ করিমগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয় বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *