ঢাকা থেকে আত্মীয়দের খোঁজে আবেদন, বিক্রমপুরের আদি বাড়ির সূত্র ধরে সন্ধান শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, আগরতলা ও অসমে
৩১ অক্টোবর : রক্তের টান ও শিকড়ের সন্ধানে হারিয়ে যাওয়া আত্মীয়দের খুঁজছেন বাংলাদেশের ঢাকা নিবাসী বাবুল কর্মকার। তাঁর দাদুর আদি বাড়ি ছিল তৎকালীন ঢাকা জেলার মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুর অঞ্চলের সিরাজদিখান থানার রশুনিয়া ইউনিয়নের খিলপাড়া গ্রামে। দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের একাধিক সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তাঁদের সন্ধান পেতে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সাহায্য চেয়েছেন তিনি।

বাবুল কর্মকারের দাদুর নাম ছিল সুমন্ত চকিদার ওরফে সুমন্ত কর্মকার। তাঁর চার ছেলে ও তিন মেয়ে ছিলেন। তাঁরা হলেন ভরত, বিদ্যা বালা, কার্তিক, গণেশ, কুসুম রানি, লক্ষ্মী রানি ও গকুল কর্মকার। গকুল কর্মকারই বাবুলের বাবা।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভরত নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যান। বিদ্যা বালার বিয়ে হয় ঢাকার নবাবগঞ্জের বক্সনগরে। কার্তিকের বিয়ে হয় বিক্রমপুরের মালখানা ঘরে। অন্যদিকে, ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর গণেশ, কুসুম রানি ও লক্ষ্মী রানি ভারতের শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, আগরতলা কিংবা অসমের কোনও অঞ্চলে চলে যান বলে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জানতে পেরেছেন বাবুল। সে সময় কার্তিক ও গকুল কর্মকার বাংলাদেশেই থেকে যান।

কার্তিকের তিন মেয়ে ও এক ছেলে ছিলেন। তাঁরা হলেন দুলি রানি, আহ্লাদী রানি, সোনাতারা রানি ও বিশ্বনাথ। বাবুলের দাবি, ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর কার্তিকও তাঁর সন্তানদের নিয়ে ভারতে চলে যান। এরপর থেকেই জেঠা ও পিসিদের পরিবারের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
দীর্ঘদিন ধরে শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, আগরতলা ও অসমের বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও আত্মীয়দের সন্ধান পাননি বাবুল। বাবার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর বিশ্বাস, ওই অঞ্চলগুলির কোথাও এখনও তাঁর জেঠা ও পিসিদের পরিবারের সদস্যরা বসবাস করছেন।

হারানো আত্মীয়দের খুঁজে পেতে এবার সংবাদপত্রের মাধ্যমে সকলের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। কারও কাছে সুমন্ত কর্মকারের পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে কোনও তথ্য থাকলে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছেন বাবুল।
যোগাযোগ: নাম: বাবুল কর্মকার
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
ফোন/হোয়াটসঅ্যাপ: +8801822806222



