১২ জুলাই: বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের শেষ ম্যাচে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের সাক্ষী থাকলেন ফুটবলপ্রেমীরা। ভারতীয় সময় রবিবার সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও সুইৎজারল্যান্ড। নির্ধারিত সময়ের নাটকীয় লড়াই শেষে অতিরিক্ত সময়ে জোড়া গোল করে ৩-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। ১০ মিনিটেই কর্নার থেকে লিওনেল মেসির নিখুঁত ক্রসে আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার দুর্দান্ত হেডে বল জালে জড়িয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
গোলের পর ব্যবধান বাড়ানোর লক্ষ্যে একের পর এক আক্রমণ শানায় আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে, সুইৎজারল্যান্ডও পাল্টা আক্রমণে বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও প্রতিবারই দুর্দান্ত সেভ করে দলকে ভরসা দেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘এমি’ মার্তিনেজ। প্রথমার্ধে আর কোনও গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানেই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।
দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। সুইৎজারল্যান্ড আক্রমণের ঝাঁজ বাড়িয়ে আর্জেন্টিনাকে চাপে ফেলে। ৬৭ মিনিটে রিকার্ডো রদ্রিগেজের সঙ্গে দারুণ ওয়ান-টু পাস খেলে বক্সে ঢুকে এনদোয়ে ঠান্ডা মাথায় মার্তিনেজকে পরাস্ত করে সমতা ফেরান। এরপর দুই দলই একাধিক সুযোগ পেলেও গোলের দেখা পায়নি।
ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত আসে সুইৎজারল্যান্ডের ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ডে। প্লে-অ্যাক্টিংয়ের অভিযোগে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে তাঁকে মাঠের বাইরে পাঠান রেফারি। ফলে শেষের দিকে ১০ জন নিয়েই খেলতে হয় সুইসদের।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ সমতায় শেষ হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়েও ১০ জনের সুইৎজারল্যান্ড শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তবে টাইব্রেকারের অপেক্ষা না করে অতিরিক্ত সময়ের শেষ দিকে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে গোল করে আর্জেন্টিনাকে আবারও এগিয়ে দেন হুলিয়ান আলভারেজ।
এরপর ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে লাউতারো মার্তিনেজ আরও একটি গোল করে জয়ের ব্যবধান বাড়িয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় আর্জেন্টিনা। শিরোপার স্বপ্নও জিইয়ে রাখল লিওনেল মেসির দল।
প্রয়োজনে এটি আরও সংক্ষিপ্ত, টিভি সংবাদ পাঠের উপযোগী বা সংবাদপত্রের স্টাইলে সাজিয়ে দিতে পারি।



