১৩ জানুয়ারি : মদ্যপ বাবার অমানুষিক অত্যাচারে প্রাণ হারাল ১৭ বছরের কিশোরী বৈষ্ণবী। দীর্ঘ ২৬ দিন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে হার মানল দ্বাদশ শ্রেণির এই ছাত্রী। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে তামিলনাড়ুর ভিল্লুপুরম জেলায়।
গত ১৭ ডিসেম্বর পেশায় নির্মাণ শ্রমিক বাবু মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফেরেন। বাড়িতে তখন একা ছিল তার ছোট মেয়ে বৈষ্ণবী। বাবা ভাত চাইলে বৈষ্ণবী জানায় রান্না হতে দেরি আছে। সামান্য এই কথাতেই হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে বাবু।
পুলিশ সূত্রে খবর, উত্তর শুনেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে বাবু। সে মেয়ের চুল ধরে দেওয়ালে সজোরে মাথা ঠুকতে থাকে। এখানেই ক্ষান্ত না হয়ে মেয়েটিকে মাটিতে ফেলে ক্রমাগত লাথি মারতে থাকে সে। বৈষ্ণবীর চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে ভিলুপ্পুরম সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বৈষ্ণবীর মা রাজলক্ষ্মীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রথমে ‘হত্যার চেষ্টা’র মামলা রুজু করে বাবুকে গ্রেফতার করেছিল। তবে গতকাল সকালে হাসপাতালে কিশোরীর মৃত্যু হওয়ায় অভিযুক্ত বাবার বিরুদ্ধে এখন খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘাতক বাবা বর্তমানে শ্রীঘরে।



