৫ নভেম্বর : ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্ব জাপোরিঝিয়ার কমিসুভাখা গ্রামের ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে রাশিয়ার প্রাণঘাতী বিমান হামলা। নিহত অন্তত ৪০। ধ্বংসস্তূপের নীচে ৫৯ জন আটকে থাকতে পারে বলে সূত্রের খবর। সোমবার ঘটনাটি ঘটলেও প্রকাশ্যে এসেছে সম্প্রতি। যুদ্ধক্ষেত্রের কাছে থাকায় কমিসুভাখা গ্রামের একটি স্কুলের বাঙ্কারকে আশ্রয়স্থল ও ত্রাণ বিলির জায়গা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। সেই সময়েই রাশিয়া হামলা চালায় বলে অভিযোগ। রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, স্থানীয়রা যখন ত্রাণ নিতে এসেছিলেন, তখন প্রথম দফা বোমা ফেলা হয়। তার পরে সেখানে দ্বিতীয় বার হামলা চালানো হয়।

জাপোরিঝিয়া আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সহ-প্রধান ইভান ফেদোরভ জানিয়েছেন, এখনও ৫৯ জন নিখোঁজ। সোমবার আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেন’-এর তরফে ওই এলাকায় ত্রাণ বিলি করা হচ্ছিল। হামলায় ৪ পুলিশকর্মী ও ২ উদ্ধারকারীও নিহত হয়েছেন। বর্তমানে উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে দেহ উদ্ধারের চেষ্টা করছে।

হামলায় নিহত এক পুলিশকর্মীর বডিক্যাম ফুটেজে দেখা গিয়েছে, হামলার ঠিক আগে সতর্কবার্তা পেয়ে সাধারণ মানুষ বাঙ্কারে ঢুকছিলেন। সেই সময়েই আচমকা বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং ক্যামেরা অন্ধকার হয়ে যায়। ইউক্রেন পুলিশের দাবি, এই হামলায় ১.৪ টন বিস্ফোরকযুক্ত তিন টনের রুশ ‘এফএবি (FAB) গ্লাইড বোমা’ ফেলা হয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অবশ্য দাবি, তারা সামরিক ঘাঁটিতেই হামলা চালিয়েছে এবং ইউক্রেনের ২৫ জন সেনা নিহত হয়েছেন। সাধারণ নাগরিকদের নিশানা করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে মস্কো।



