৬ অক্টোবর : মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে কাজে লাগিয়ে ‘ভোট চুরি’ করে দেশকে ‘হাইজ্যাক’ করে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের উদ্দেশে অভিযান থেকে এমনই অভিযোগ করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে তাঁর আশ্বাস, সকলের বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ করা হবে। রাহুলের কথায়, ‘মোদিজি, শাহজি এবং জ্ঞানেশ কুমার, কেউই রেহাই পাবেন না।’
মঙ্গলবার বিরোধীদের নির্বাচন সদন অভিযান ঘিরে সকাল থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে রাজধানীতে। সংসদ ভবনের মকর দ্বার থেকে অভিযান শুরু করেছিলেন বিরোধী দলের সাংসদেরা। সেই মিছিলকে মাঝপথেই ব্যারিকেড করে আটকে দেয় পুলিশ। প্রথমে রাস্তাতেই ধর্না দেওয়া শুরু করেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা গান্ধীরা। ধর্নার জায়গায় ছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কিছু ক্ষণ পরে রাহুলকে দেখা যায়, পুলিশের ব্যারিকেডের উপরে উঠে পড়েছেন তিনি। এর পরেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেমে বিরোধী সাংসদদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ।
বাসে তোলা হয়েছিল রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকেও। যদিও পরে তাঁরা বাস থেকে নেমে পড়েন। তার পরেই আকাশবাণী ভবনের দিকে যান রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে। ওই ভবনে প্রবেশের চেষ্টাও করেন। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বাদানুবাদের পরে ভিতরেও প্রবেশ করেন তাঁরা। কিন্তু নির্বাচন সদন পর্যন্ত যেতে পারেননি। শেষমেশ নির্বাচন কমিশনের অফিসের পাশে আকাশবাণী চত্বরের ভিতরেই ধর্নায় বসে পড়েন রাহুলরা। সেখানে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ কেসি বেণুগোপাল, চরণজিৎ সিং চান্নিরা। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে জ্ঞানেশকে পদত্যাগ করতে হবে।




