বরাক তরঙ্গ, ২৯ সেপ্টেম্বর : মায়ান্মার সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজে নিরাপত্তা দেওয়ার সময় সন্দেহভাজন জঙ্গিদের হামলায় অরুণাচল প্রদেশের চাংলাং জেলায় আসাম রাইফেলসের এক হাবিলদার নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে সংঘটিত এই হামলায় আরও চার জওয়ান গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। নিরাপত্তা সূত্রে জানা গেছে, মায়ান্মার সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজ নির্বিঘ্ন করতে এলাকায় টহল ও নজরদারি চালাচ্ছিল আসাম রাইফেলসের একটি দল। সেই সময় ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল অব নাগালিম (NSCN)-এর কেএইচএ/কেএ ওয়াইএ গোষ্ঠীর সন্দেহভাজন সদস্যরা ওই টহলদলের ওপর গুলি চালায়।
নামপং নাল্লা এলাকায় আচমকা হামলায় জওয়ানদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয়। ঘটনাস্থলেই নিহত হন প্রায় ৪২ বছর বয়সি হাবিলদার জানখোকাই কুকি। হামলার পর ঘন জঙ্গলের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায় সন্দেহভাজন জঙ্গিরা। গুলিতে আহত চার জওয়ানকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা আধিকারিকদের প্রাথমিক ধারণা, মায়ান্মার সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজকে কেন্দ্র করেই আসাম রাইফেলসের দলটিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার পর এলাকায় তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, অরুণাচল প্রদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব অংশে ভারতের সঙ্গে মিয়ানমারের প্রায় ৫২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ভারত-মায়ান্মার সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১,৬৪৩ কিলোমিটার। দীর্ঘদিন ধরেই এই সীমান্তের বিস্তীর্ণ অংশ কার্যত অরক্ষিত ও পারাপারের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে সহজ ছিল। সীমান্তের উভয় পাশে বসবাসকারী মানুষদের নির্দিষ্ট শর্তে নথিপত্র ছাড়াই ১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত যাতায়াতের সুযোগও ছিল।



