২৭ আগস্ট : নেপালের গণ্ডক নদীতে নেপাল থেকে বিপুল পরিমাণ জল ঢোকার আশঙ্কায় গোটা বিহারকে হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে। নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষকে নিরাপদ ও উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী একটি উচ্চপর্যায়ের দল গঠন করেছেন। সরকারি আধিকারিকদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি নদীগুলির উপর নজরদারি আরও বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার নদীর বাঁধ এবং সংলগ্ন এলাকাগুলিতে বিশেষ নজরদারির পাশাপাশি রাতের সময় নাইট পেট্রোলিং জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের আশঙ্কা, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নেপাল থেকে গণ্ডক নদীপথে বিপুল পরিমাণ জল বিহারে প্রবেশ করতে পারে। একসঙ্গে প্রায় সাড়ে তিন লাখ কিউসেক জল পাহাড়ি ঢাল বেয়ে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে।
গণ্ডক নদীর তীরবর্তী পশ্চিম চম্পারণ, পূর্ব চম্পারণ, মুজফ্ফরপুর, বৈশালী, গোপালগঞ্জ ও সারণ জেলায় জল ঢোকার আশঙ্কা রয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনগুলিকে হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির মোকাবিলায় রাজ্যের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটিও বাতিল করা হয়েছে।
আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বাল্মিকীনগরের গণ্ডক ব্যারেজের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। বিহার ও উত্তরপ্রদেশের ইঞ্জিনিয়াররা নিয়মিত ব্যারেজের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
এদিকে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বাল্মিকী টাইগার রিজার্ভ থেকেও বন্যপ্রাণীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতির উপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি রাখা হচ্ছে।



