৪ জুলাই : শোকে মুহ্যমান রাজধানী তেহরান। শনিবার ভোর থেকে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের অন্ত্যেষ্টির ধর্মীয় আচার শুরু হয়েছে। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় জমিয়েছেন ইরানের তাবড় নেতা-নেত্রীরা। সেখানেই আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হলো। চোখের জল ধরে রাখতে পারলেন না ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়লেন দু’জনেই। এ দিন খামেনেইয়ের শোকজ্ঞাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় প্রতিনিধিরাও। খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্গারিটা এবং বিহারের রাজ্যপাল লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আতা হাসনাইন। ভারতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতাকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ভারতীয় প্রতিনিধিদল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিডিপি প্রধান মেহবুবা মুফতি, কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদ-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিও।
খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা তেহরান। রাজধানীর বুকে ভোর ৬টায় সাধারণ জনগণের জন্য খুলে দেওয়া গ্র্যান্ড মোসাল্লা। এখানেই শায়িত রয়েছেন খামেনেই। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত রয়েছেন দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তেহরানের গভর্নর মোহাম্মদ সাদেক মোতামাদিয়ানের অনুমান, দেড় থেকে দুই কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে। গ্র্যান্ড মোসাল্লায় শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সোমবার রাজধানীতে হবে শেষযাত্রা। হাঁটবে গোটা দেশ। এরপর কুম, বাগদাদ, কারবালা ও নাজাফে ধর্মীয় আচার পালনের পর আগামী ৯ জুলাই মাশহাদে সমাহিত করা হবে খামেনেইকে।
খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা তেহরান। রাজধানীর বুকে ভোর ৬টায় সাধারণ জনগণের জন্য খুলে দেওয়া গ্র্যান্ড মোসাল্লা। এখানেই শায়িত রয়েছেন খামেনেই। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত রয়েছেন দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তেহরানের গভর্নর মোহাম্মদ সাদেক মোতামাদিয়ানের অনুমান, দেড় থেকে দুই কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে। গ্র্যান্ড মোসাল্লায় শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সোমবার রাজধানীতে হবে শেষযাত্রা। হাঁটবে গোটা দেশ। এরপর কুম, বাগদাদ, কারবালা ও নাজাফে ধর্মীয় আচার পালনের পর আগামী ৯ জুলাই মাশহাদে সমাহিত করা হবে খামেনেইকে।
ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, আটটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, ১২টি দেশের পার্লামেন্ট স্পিকার এবং প্রায় ১০০টি দেশের প্রতিনিধি শোকজ্ঞাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। উপস্থিত রয়েছেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান, তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইমোমালি রহমান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ় শরিফ, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির, তুর্কমেনিস্তান, কুর্দিস্তান-সহ একাধিক দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিরা। এছাড়া বাংলাদেশ, ইরাক, আজারবাইজান, উজবেকিস্তান, বেলারুশ, কিরগিজস্তান-সহ বহু দেশের পার্লামেন্টের স্পিকার ও মন্ত্রীরাও শোকজ্ঞাপন করেন।



