বরাক তরঙ্গ, ২৫ মে : অসম বিধানসভায় উত্থাপিত হলো UCC বিল। মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মন্ত্রী অতুল বরা বিধানসভায় এই বিলটি উত্থাপন করেন। হিমন্ত বিশ্ব শর্মার দ্বিতীয় কার্যকালের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই UCC-র খসড়ায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, “জনজাতীয় জনগোষ্ঠীকে UCC বিলের আওতার বাইরে রাখা হবে। ধর্মীয় পরম্পরাকেও UCC-র বাইরে রাখা হবে।
UCC বিলে বিয়ের ন্যূনতম বয়স, বহুবিবাহ এবং মেয়েদের সম্পত্তির অধিকারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।” বিরোধীদের UCC-র বিরোধিতা নিয়ে একাধিক বিধায়ক কড়া সমালোচনা করেন। বিধায়ক কমলাক্ষ দে’ পুরকায়স্থ বলেন, “কংগ্রেস কখনও সংবিধান মানে, কখনও মানে না। কংগ্রেসের সংবিধানকে সম্মান করা উচিত। UCC কার্যকর হলে ঐক্যবোধ গড়ে উঠবে। UCC আনা মুখ্যমন্ত্রীর যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।”
বিধায়ক মানব ডেকা বলেন, “কংগ্রেস UCC-র বিরোধিতা করবেই, কারণ তাদের ‘মিয়া’ সম্প্রদায়কে সন্তুষ্ট রাখতে হবে। কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা হিসেবে ‘মিয়া’ একজনকে বসানোর কথা ভাবতে হবে না।”
বিধায়ক সুশান্ত বরগোঁহাই বলেন, “কংগ্রেস UCC-র বিরোধিতা করবেই। কারণ তাদের ১৯ জন বিধায়কের মধ্যে ১৮ জনই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। তারা তিন তালাক বা বহুবিবাহ সমর্থন করে বলেই UCC-র বিরোধিতা করছে। কংগ্রেসের এই অবস্থান মানুষ মেনে নেবে না। UCC-তে সকলেই সমান সুবিধা পাবে।”
বিধায়ক বিশ্বজিৎ ফুকন বলেন, “এটি শুধুই বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা। এই মানসিকতার কারণেই কংগ্রেস জনসাধারণের থেকে দূরে সরে গেছে। এখন অন্তত শিক্ষা নেওয়া উচিত।”



