বরাক তরঙ্গ, ৭ মে : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্ব, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কৌশলী সংগঠন পরিচালনা এবং বিজেপির তৃণমূল স্তরের শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তির উপর আস্থা রেখেই পশ্চিমবঙ্গের মানুষ উন্নয়নমুখী সরকারকে সমর্থন করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান রাজ্যসভার সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়কে কেন্দ্র করে রাজ্য তথা দেশজুড়ে নতুন রাজনৈতিক আবহ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দিয়ে এই ফলাফল রাজ্যের ভবিষ্যৎ রাজনীতির এক নতুন দিকনির্দেশনা তুলে ধরেছে বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
এই জয়ের জন্য পশ্চিমবঙ্গের সচেতন ভোটারদের পাশাপাশি দলের প্রতিটি নিবেদিতপ্রাণ কর্মীকেও অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান বিপ্লব দেব। তাঁর মতে, এই জয় শুধুমাত্র একটি নির্বাচনী সাফল্য নয়, বরং এটি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা এবং উন্নয়নের প্রত্যাশার সুস্পষ্ট প্রতিফলন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিরুদ্ধে নতুন জনমত গড়ে উঠেছে, যা নির্বাচনের ফলাফলে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং উন্নয়নমুখী ভাবনা ভোটারদের মধ্যে গভীর প্রভাব ফেলেছে। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর কৌশলী সংগঠন পরিচালনা ও মাটির স্তরে রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার পরিকল্পনাও এই জয়ের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।
বিপ্লব দেব আরও বলেন, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিরলস পরিশ্রম এবং দলের প্রতিটি কর্মীর আত্মত্যাগ ও কঠোর প্রচেষ্টাই এই সাফল্যের ভিতকে আরও শক্তিশালী করেছে। পশ্চিমবঙ্গের জনগণ ভয়, তোষণ ও অব্যবস্থার রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করে উন্নয়ন, সুশাসন ও স্থিতিশীলতার পক্ষে নিজেদের মত স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর মতে, ২০২৬ সালের এই নির্বাচনী ফলাফল আরও একবার প্রমাণ করেছে যে জনগণ এখন এমন একটি সরকার চায়, যা হবে শক্তিশালী, স্বচ্ছ এবং সম্পূর্ণ উন্নয়নমুখী। এমন এক প্রশাসন, যা শুধুমাত্র প্রতিশ্রুতি দেয় না, বাস্তবেও মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কাজ করে।
এদিকে, বিজেপির পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, এই জয় মানুষের বিশ্বাস ও আস্থার প্রতিফলন। আগামী দিনে রাজ্যের সার্বিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং সামাজিক সুরক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে বলেও দাবি করা হয়েছে।



