বরাক তরঙ্গ, ২ মে : এনএসসিএনের আরও তিন সক্রিয় ক্যাডারকে কয়েক দিনে অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। পূর্ব অরুণাচল জুড়ে জঙ্গিদের দমনে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভারত-মায়ান্মার সীমান্ত এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে তীব্র তল্লাশি ও অভিযান চালানো হয়।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয়— এসএস লেফটেন্যান্ট বেওয়াং টাংহা (এনএসসিএন-কে ওয়াইএ), মানসেং জুগলি (এনএসসিএন-কে ওয়াইএ) এবং কামনং পাংথা (এনএসসিএন-কে কে) হিসেবে জানা গেছে।
অরুণাচল প্রদেশ পুলিশ তাদের এক বিবৃতিতে জানায়, “বিশ্বস্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ৪–৫ দিন ধরে ভারত-মায়ান্মার সীমান্তে নিবিড় অভিযান চালানো হয়। ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে এনএসসিএন (কেওয়াইএ)-এর সক্রিয় সদস্য এসএস লেফটেন্যান্ট বেওয়াং টাংহাকে গ্রেফতার করা হয়।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “২৭ এপ্রিল নিউ পুটক গ্রামে অভিযানে এনএসসিএন (আইএম)-এর সক্রিয় সদস্য মানসেং জুগলিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী তদন্তে এনএসসিএন-কে কে সদস্য কামনং পাংথাকেও আটক করা হয়। নামপং থানায় এই ঘটনায় মামলা রুজু করা হয়েছে।”
এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন এনএসসিএন ক্যাডারকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। এই অভিযান আগামী দিনেও চলবে।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট আরেক ঘটনায় শুক্রবার তিরাপ জেলায় যৌথ অভিযানে এনএসসিএন-কে (নিকি সুমি) গোষ্ঠীর তিনজন কুখ্যাত ক্যাডারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— উইঙ্গান আগান (৩৩), জনি রিবা (২১) এবং রাজাপেয়ু খেচান খেতে (৩০)।
এক কর্মকর্তা জানান, নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসাম রাইফেলস এবং অরুণাচল প্রদেশ পুলিশের যৌথ বাহিনী খোনসার ওয়ানচো কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই তিন জঙ্গিকে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করে।
তাদের কাছ থেকে দুটি ৭.৬৫ মিমি পিস্তল, ম্যাগাজিন, ৯ রাউন্ড জীবন্ত গুলি, তিনটি মোবাইল ফোন, তিনটি সিম কার্ড, জিপিআরএন সংক্রান্ত নথি এবং প্রায় ৫০০ টাকার সন্দেহভাজন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।



