বরাক তরঙ্গ, ১২ এপ্রিল : কোন দল কত আসনে জিতবে, সরকার গড়বে কোন পক্ষ, বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণের পর বর্তমানে মাঠে-ঘাটে এনিয়ে চর্চার শেষ নেই। বিভিন্ন দল থেকেও নিজেদের মতো করে তুলে ধরা হচ্ছে নানা বক্তব্য। এরমধ্যে শনিবার শিলচরে নির্বাচনোত্তর পর্যালোচনা বৈঠক করলো বিজেপি। কাছাড় জেলার ৬টি আসনে দলের ৬ প্রার্থী এবং সোনাইয়ে জোট সঙ্গী অগপ প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয় ওই বৈঠকে।
শহরের ইটখোলা এলাকায় বিজেপি কার্যালয়ে এদিন দুপুরে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের জেলা সভাপতি রূপম সাহা, লক্ষীপুরের প্রার্থী কৌশিক রায়, কাটিগড়ার প্রার্থী কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ, ধলাইর প্রার্থী অমিয়কান্তি দাশ, উধারবন্দের প্রার্থী রাজদীপ গোয়ালা, বড়খলার প্রার্থী কিশোর নাথ সহ দলের ২ প্রাক্তন জেলা সভাপতি উদয়শংকর গোস্বামী, ও বিমলেন্দু রায়, চন্দন দে, ২ সাংসদ পরিমল শুক্লবৈদ্য ও কণাদ পুরকায়স্থ, বিভিন্ন বিধানসভা আসনের দলীয় নির্বাচনী ইনচার্জ এবং মণ্ডল স্তরের কর্মকর্তারা। জানা গেছে, শিলচরের দলীয় প্রার্থী রাজদীপ রায় বাইরে থাকায় বৈঠকে উপস্থিত হতে পারেননি। আর সোনাইয়ে জোট শরিক অগপর প্রার্থী করিম উদ্দিন বড়ভূইয়ার সম্ভাবনা নিয়ে পর্যালোচনা করা হলেও তাঁকে ডাকা হয়নি বৈঠকে।

দলীয় এক সূত্র জানান, বিস্তারিত আলাপ আলোচনা ও মণ্ডল এবং অন্যান্য স্তরের কর্মকর্তারা তথ্য পেশ করার পর যে হিসাব-নিকাশ করা হয়েছে সে অনুযায়ী, জেলায় দলীয় ৬ প্রার্থী তো বটেই, সোনাইর অগপ প্রার্থীও নিশ্চিতভাবে জয়ী হচ্ছেন বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। সূত্রটি জানান, যে হিসেব বেরিয়ে এসেছে সে অনুযায়ী লক্ষীপুরে কৌশিক রায জয়ী হচ্ছেন প্রায় লক্ষ খানেক ভোটের ব্যবধানে। অন্যান্য আসনে ব্যবধান কিছুটা কম হলেও জয় নিশ্চিত।
সূত্রটির কথায়, নির্বাচনের আগে থেকেই তারা যেমনটা আঁচ করছিলেন এদিন পর্যালোচনা বৈঠকে হিসেব নিকেশে এমনটাই প্রতিফলন ঘটেছে। তিনি জোরগলায় দাবি করেন, কাছাড়ে কংগ্রেস কোনও আসনই পাচ্ছে না। ফলাফল ৭-০ হবে এনডিএ-র পক্ষে।



