২৯ জুন : পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় জঙ্গিবিরোধী স্থল অভিযান চালিয়েছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। অভিযানে ‘পরিকল্পিত ও লক্ষ্যভিত্তিক’ হামলায় জঙ্গিদের আস্তানা ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, এ অভিযানে মোট ২৯ জন নিহত হয়েছেন।
রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এপি জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে একাধিক সন্ত্রাসী হামলার জবাব হিসেবেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আফগানিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা বেড়েছে। পাকিস্তান সরকারের দাবি, এসব হামলার অধিকাংশের পেছনে রয়েছে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)।
এর একদিন আগে দক্ষিণাঞ্চলের বন্দরনগরী করাচিতে আধাসামরিক বাহিনী রেঞ্জার্সের সদর দপ্তরে বন্দুক ও বিস্ফোরক নিয়ে হামলা চালায় সশস্ত্র জঙ্গিরা। এতে তিন রেঞ্জার্স সদস্য নিহত হন। পাল্টা অভিযানে তিন হামলাকারী নিহত হয় এবং আহত অবস্থায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি আফগান নাগরিক। শনিবার রাতে করাচির ওই হামলার দায় স্বীকার করে টিটিপি থেকে বিচ্ছিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠী জামাত-উল-আহরার।
তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বলেন, সর্বশেষ সীমান্তবর্তী অভিযানে পাকিস্তানি তালেবানের আস্তানাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। যদিও আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবান ও পাকিস্তানি তালেবান পৃথক সংগঠন, তবুও দুই পক্ষের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে পাকিস্তান।




