বরাক তরঙ্গ, ১৯ আগস্ট : ২০২৬ সালের অসম বিধানসভা নির্বাচনে দলবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে অসম প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি (এপিসিসি) ১৪ জন দলীয় নেতা ও পদাধিকারীকে তাৎক্ষণিকভাবে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড করেছে। এপিসিসির সভাপতি গৌরব গগৈয়ের নির্দেশে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রমন্না বরুয়া এই সাসপেনশন আদেশ জারি করেন। শিলচর জেলা কংগ্রেস কমিটি (ডিসিসি), অসম যুব কংগ্রেস এবং সোনাইয়ের বিভিন্ন দলীয় ইউনিটের সঙ্গে যুক্ত নেতা ও পদাধিকারীদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সাসপেন্ড হওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন শিলচর ডিসিসির সহ-সভাপতি শামসুর রহমান চৌধুরী (জন), আক্তার হোসেন বড়ভূইয়া ও মোজিবুর রহমান চৌধুরী। এছাড়া রয়েছেন শিলচর ডিসিসির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) আজমল হোসেন লস্কর, সাধারণ সম্পাদক শাহিন আহমদ লস্কর ও মেহবুব হোসেন (রিপন) এবং অসম যুব কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইজাজ লস্কর।
তালিকায় আরও রয়েছেন শিলচর ডিসিসির সাধারণ সম্পাদক হানিফ আলম মজুমদার, আলতাফ হুসেন লস্কর (টিটু) ও নাজিব আহমেদ লস্কর।

এছাড়া সংখ্যালঘু বিভাগের সাধারণ সম্পাদক জহুর চৌধুরী, সোনাই বিসিসির সাধারণ সম্পাদক কাদির আহমদ লস্কর, জেলা সংখ্যালঘু বিভাগের প্রাক্তন সভাপতি আনসার হোসেন বড়লস্কর এবং সোনাই বিধানসভা কেন্দ্রের যুব কংগ্রেস সভাপতি রাকিব আহমেদ মজুমদারকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, অসম বিধানসভা নির্বাচনের সময় এই ১৪ জন দলবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে দলীয়ভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আদেশ জারির দিন থেকে তাঁদের ওপর ছয় বছরের জন্য সাসপেনশন কার্যকর থাকবে।
সাসপেনশন আদেশের অনুলিপি এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে সি ভেনুগোপাল, এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক তথা অসমের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা জিতেন্দ্র সিং, এপিসিসি সভাপতি গৌরব গগৈ এবং অসম কংগ্রেস লেজিসলেচার পার্টির নেতৃত্বের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়াও এপিসিসির বিভিন্ন পদাধিকারী, দলের মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগ, শিলচর জেলা কংগ্রেস কমিটি, এপিসিসি ওয়ার রুম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছেও আদেশটি পাঠানো হয়েছে।



