বরাক তরঙ্গ, ২ অক্টোবর : শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে মহানগরী গুয়াহাটিতে শুক্রবার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করেছে প্রশাসন। পুজো মণ্ডপের নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, শব্দদূষণ এবং প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে জারি করা SOP-তে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, কোনও পুজো কমিটি পুজোর নামে জোর করে চাঁদা বা অনুদান দাবি করতে পারবে না। প্রতিটি পুজো মণ্ডপে CCTV ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজপথ বন্ধ করে কোনও পুজো আয়োজন করা যাবে না। পুজো মণ্ডপে DJ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রতিমা তৈরির ক্ষেত্রেও প্লাস্টিক, থার্মোকল ও পলিথিন ব্যবহার করা যাবে না। পুজো মণ্ডপের আশপাশে আতশবাজি ফাটানোর উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পুজোর দিনগুলিতে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সেই লক্ষ্যেই প্রশাসনের তরফে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত গুয়াহাটির বিভিন্ন রাস্তায় যানবাহন চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ থাকবে। পুজো মণ্ডপের ১০০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে কোনও যানবাহন পার্কিং করা যাবে না। এছাড়া প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত ভারী যানবাহন চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে গুয়াহাটির রাজপথে ভারী যান চলাচল করতে পারবে না।
প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী, দিনের আলোতেই প্রতিমা বিসর্জনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। বিসর্জনের সময় অতিরিক্ত ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি পুজো কমিটি থেকে সর্বোচ্চ পাঁচজন সদস্যই বিসর্জনস্থলে উপস্থিত থাকতে পারবেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্ত পুজো কমিটিকে SOP-তে উল্লেখ করা নির্দেশনাগুলি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। দুর্গাপুজোর সময় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই বিধিনিষেধগুলি কার্যকর করা হয়েছে।



