প্রশাসক পদে ২৫ বছর পূর্তিতে নতুন স্লোগান ‘উই উইল ডু ইট’

Spread the news

২০৪৭-এ বিকশিত ভারত গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

৭ অক্টোবর : গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী—টানা ২৫ বছর প্রশাসনের শীর্ষ পদে থাকার মাইলফলক ছুঁলেন নরেন্দ্র মোদী। ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন তিনি। ২০১৪ সালের ২৬ মে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। বুধবার মোদীর প্রশাসনের শীর্ষ পদে থাকার ২৫ বছর পূর্ণ হল। এমন ঐতিহাসিক মুহূর্তে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়াম থেকে বিকশিত ভারতের নয়া স্বপ্ন বুনলেন প্রধানমন্ত্রী। ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার নয়া স্লোগানও বেঁধে দিলেন তিনি— ‘উই উইল ডু ইট।’ অর্থাৎ, ‘আমরা করে দেখাবই।’ ভারতকে ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যেই এই নতুন স্লোগান।

বুধবার দিল্লিতে ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা’-য় বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে একাধিক লক্ষ্যের কথা তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে সমাজকে ভোটের অঙ্কে ভাগ করার রাজনীতিকেও দেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ দিন তিনি বলেন, ‘এই ২৫ বছরের যাত্রা আসলে তাঁর ব্যক্তিগত নয়, দেশের মানুষের আস্থা ও সহযোগিতার ফল। আমি ভারতের মানুষের আস্থার সামনে মাথা নত করছি। আমার কাছে মানুষই ঈশ্বর।’ পাশাপাশি, বিজেপির কর্মীদের নিজের শক্তি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি মোদীর দাবি, সমালোচকদের সমালোচনা থেকেও শিক্ষা নিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘রাষ্ট্রসেবায় নিজেকে কখনও একা মনে হয়নি। সব সময়ে কর্মীদের পাশে পেয়েছি। প্রত্যেক ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েছি। আমি নিজেকে এখনও শিক্ষার্থী মনে করি। কর্মই আমার ধর্ম।’ এখানেই শেষ নয়, রাজনৈতিক বিরোধীদের কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যাঁরা আমার বিরোধিতা করেছিলেন, তাঁরা আমায় আসলে গণতন্ত্রের শক্তি চিনিয়েছেন।’

‘২০৪৭-এর মধ্যে বিকশিত ভারত—উই উইল ডু ইট’
দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে একাধিক স্বপ্নের কথা তুলে ধরে মোদী বলেন, ‘২০৪৭-এর মধ্যে বিকশিত ভারত—উই উইল ডু ইট।’ এর পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে তৃতীয় বিশ্বের অর্থনীতি হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করবে দেশ। ভারত অলিম্পিকস আয়োজন করবে, মহাকাশে যাবেন ভারতীয় নভশ্চররা।’ শুধু উন্নত দেশ নয়, বিশ্বের প্রথম তিন অর্থনীতির মধ্যে জায়গা করে নেওয়া, আত্মনির্ভর ভারত তৈরি, বিশ্বে উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে ওঠা— বিকশিত ভারত-এর উদ্দেশে নেওয়া প্রতিটি লক্ষ্যই অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *