বরাক তরঙ্গ, ২৯ আগস্ট : আসন্ন শিলচর পুর নিগম নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা তফশিলি মোর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সভা শনিবার অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টায় দলীয় মুখ্য কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি স্বপন শুক্লবৈদ্য। প্রদীপ প্রজ্বলন ও বন্দেমাতরম গানের মাধ্যমে সভার সূচনা হয়। সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক নিলেন্দু দাস। সভায় আসন্ন পুর নিগম নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাংগঠনিক প্রস্তুতি, নির্বাচনী কার্যক্রম এবং সংরক্ষিত আসন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। ৪২টি আসনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চারটি মণ্ডলের জন্য জেলা তফশিলি মোর্চার বিভিন্ন পদাধিকারীকে প্রভারীর দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় সংশ্লিষ্ট মণ্ডল সভাপতি ও প্রভারীদের সমন্বয়ে নবনিযুক্ত ওয়ার্ড প্রমুখদের নিয়ে দ্রুত সাংগঠনিক বৈঠক করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ঘরে ঘরে জনসংযোগ, ছোট ছোট উঠান বৈঠক এবং ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। ভোটদানের হার বৃদ্ধির বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
মোর্চার প্রবীণ ও বরিষ্ঠ কার্যকর্তা অমলেন্দু লস্কর, অমলেন্দু রায়, আইনজীবী ভাস্করজ্যোতি দাস এবং রুমারানি দাসের নেতৃত্বে চারটি মণ্ডল—রংপুর-মালুগ্রাম, নিউ শিলচর, মধ্য শহর এবং শিলচর ব্লক মণ্ডলে বিভিন্ন কার্যকর্তাকে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। নির্বাচনী কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট মণ্ডলগুলির সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য জেলা সাধারণ সম্পাদক সমীরণ ফুলমালী ও নিলেন্দু দাসের মধ্যেও দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়। সমীরণ ফুলমালীকে নিউ শিলচর ও রংপুর-মালুগ্রাম মণ্ডলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নিলেন্দু দাসকে নিউ শিলচর ও মধ্য শহর মণ্ডলের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। নির্বাচনী কাজে নিযুক্ত সকল কার্যকর্তাকে সংশ্লিষ্ট পিতৃসংগঠনের সঙ্গে সমন্বয়, সামঞ্জস্য ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়। সভায় আরও অভিযোগ ওঠে, তফশিলি জাতিভুক্ত নন—এমন কিছু ব্যক্তি তফশিলি জাতির শংসাপত্র বা প্রমাণপত্র সংগ্রহ করে সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী হওয়ার চেষ্টা করছেন। বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।



