বরাক তরঙ্গ, ১৪ আগস্ট : স্বাস্থ্য, সুখ ও মানবতার বার্তা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে শিলচরে আগামী ২১ থেকে ২৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে চলেছে সপ্তদিবসীয় আঞ্চলিক যোগ সম্মেলন ও ‘আরোগ্যসপ্তাহ’। বিবেক বাহিনী ও যোগবিজ্ঞান মহাবিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এবং আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের সহযোগিতায়, ঈশান যোগ বিকাশের পরিচালনায় এই আয়োজন করা হয়েছে।
‘স্বাস্থ্য, সুখ ও মানবতা’ এবং ‘শরীরমাদ্যং খলু ধর্মসাধনম্’—এই মূল ভাবনাকে সামনে রেখে সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানে যোগ, জ্যোতিষ, আয়ুর্বেদ ও প্রাকৃতিক চিকিৎসা বিষয়ে আলোচনা, ব্যবহারিক প্রদর্শনী, পত্র উপস্থাপন, ভাষণ, প্রশ্নোত্তর ও প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকবে।
আগামী ২১ আগস্ট বিকেল ৩টায় আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্না দেবী স্মৃতিসদনে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। উদ্বোধন করবেন রামকৃষ্ণ মিশন, শিলচরের অধ্যক্ষ স্বামী গণধীশানন্দ মহারাজ। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গুয়াহাটির ভারতীয় যোগ কালচার ও যোগ থেরাপি সেন্টারের সভাপতি যোগাচার্য শুভাশিস কর। প্রধান অতিথি থাকবেন আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রাজীবমোহন পন্থ।
২২ আগস্ট সকাল ৮টায় কল্যাণী ভট্টাচার্য, স্বাস্থ্য পরিষেবা, সর্বোদয় ট্রাস্টের আয়োজনে এবং ডাঃ কুমারকান্তি দাসের উদ্বোধনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। ২৩ আগস্ট যোগানন্দ ধাম, শিবালিক পার্কে স্বামী গুণাতীতানন্দ মহারাজের উদ্বোধনে অনুষ্ঠান হবে। ২৪ আগস্ট বিকেল ৫টায় যোগবিজ্ঞান মহাবিদ্যালয়ে স্বামী তত্ত্বজ্ঞানানন্দ মহারাজের উদ্বোধনে কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
২৫ আগস্ট সকাল ৮টায় উধারবন্দের রামকৃষ্ণ সেবা সমিতিতে এবং ২৬ আগস্ট ময়নাগড়ের গদাধর অভ্যুদয় প্রকল্পে বিভিন্ন কর্মসূচি থাকবে। উভয় দিনই উদ্বোধন করবেন স্বামী বৈকুণ্ঠানন্দ মহারাজ। ২৭ আগস্ট বিকেল ৫টায় বৈদ্যনাথ নাথ যোগবিজ্ঞান মহাবিদ্যালয়ে পুরস্কার বিতরণী ও সমাপ্তি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। রংপুরে আয়োজিত এই সমাপ্তি অনুষ্ঠানে স্বামী তত্ত্বজ্ঞানানন্দ মহারাজ উপস্থিত থাকবেন।
অভ্যর্থনা সমিতি সপ্তদিবসীয় যোগ সম্মেলনের সভাপতি ড. সুখময় ভট্টাচার্য ও সম্পাদক রাজর্ষি দাস এবং আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. শান্তি পোখরেল জানান, অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে যোগাসন, জ্যোতিষ, আয়ুর্বেদ ও প্রাকৃতিক চিকিৎসার নানা ব্যবহারিক দিক তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি আলোচিত বিষয়গুলির উপর প্রশ্নোত্তর পর্ব ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আয়োজকরা এই সাত দিনের কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।



