২৯ সেপ্টেম্বর : নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর এক কর্মীকে গুলি করে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। গত শনিবার ক্যালিফোর্নিয়ার ডাবলিন স্পোর্টস কমপ্লেক্সের এই ঘটনা সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, নিহত জনাথন ম্যাককিনস (৪০) ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এ টেকনোলজি এক্সিকিউটিভ পদে কর্মরত ছিলেন। খুনে জড়িত সন্দেহে জনাথনের শ্বশুর-শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
New York Post সূত্রে খবর, শনিবার স্থানীয় সময় বিকেল তিনটে নাগাদ ডাবলিন স্পোর্টস কমপ্লেক্সের পার্কিং লটে রক্তাক্ত অবস্থায় জনাথনকে উদ্ধার করেন পুলিশকর্মীরা। তাঁরাই Emergency Number-এ ফোন করে জনাথনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। তবে, অ্যাম্বুল্যান্স পৌঁছনোর আগেই মৃত্যু হয় তাঁর। New York Times-এর তরফ থেকেও জনাথনের মৃত্যুর কথা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শনিবার দুপুরে মুখে মাস্ক পরা দু’জন পার্কিং লটে জনাথনের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁরা আচমকা জনাথনকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন জনাথন। ওই দুই আততায়ী ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে, গুলির শব্দ শুনে টহলদারি পুলিশ কর্মীরা ছুটে আসেন এবং দুই আততায়ীকে ধরে ফেলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম শৌইয়ং ঝ্যাং এবং শিলি চেন। দু’জনের বয়সই ৭৭ বছর। আদতে চিনের নাগরিক এই দু’জন সম্পর্কে জনাথনের শ্বশুর-শাশুড়ি। শৌইয়ং এবং শিলির মেয়ে ক্যানডিস জাংয়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন জনাথন। ধৃত শৌইয়ং এবং শিলির বিরুদ্ধে খুন, ষড়যন্ত্র এবং পাবলিক প্লেসে গুলি চালানো-সহ একাধিক ধারায় মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁদের আলামেদা কাউন্টির সান্তা রিতা জেলে বন্দি করে রাখা হয়েছে। কী কারণে জনাথনকে খুন করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।



