বরাক তরঙ্গ, ১ জুন : মণিপুরের ‘ড. সোইবম কুমার স্মৃতি সাহিত্য পুরস্কার’ (সংস্কৃতি, সমালোচনা ও লোকসাহিত্য বিভাগ) পাচ্ছেন আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মণিপুরি বিভাগের অধ্যাপিকা আরকে নির্মলা সানা। তাঁর লেখা ‘মতমগী মণিপুরি ওয়ারেং’ গ্রন্থের জন্য এই সম্মানের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। খোরিরোল সন্দোকলুপের ৪৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আগামী ৮ জুন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রদান করা হবে এই সাহিত্য ও সম্মাননা পুরস্কার।
নির্মলা সানা সোনাই চান্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। আরকে রাধামোহন সানা ও হৈয়াই সিজার সন্তান। তিনি ইতোমধ্যে আরও চারটি বই প্রকাশ করেছেন। তাঁর এই পুরস্কারপ্রাপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মণিপুরি বিভাগের সহকর্মী ও সোনাই তথা বরাকবাসী গর্বিত। অনেকেই অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এ ছাড়াও খোরিরোল সন্দোকলুপের সাহিত্য পুরস্কার আরও পাঁচজনকে দেওয়া হচ্ছে। তাঁরা হলেন ‘থোকচোম অমুবা শাস্ত্রী স্মৃতি খোরিরোল পুরস্কার’ (৪৫ বছরের নিচের লেখকদের জন্য) প্রদান করা হবে মোইরাংথেম দীনকান্তকে। তাঁর গ্রন্থ ‘ওয়াহং অমসুং কুরাক’ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে। ‘ইবোতোম্বা সাহিত্য সেবক পুরস্কার’ পাচ্ছেন তেকচম রামেশ্বর। ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে এই সাহিত্যসেবী দীর্ঘদিন ধরে খোরিরোলের সাহিত্যচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন তিনি। ‘তেকচম কামিনি, কুশ ও লোইদাং স্মৃতি খোরিরোল পুরস্কার’ পাচ্ছেন খাঙেম্বম সনাহনবী। তাঁর ‘মহৌশা’ গ্রন্থটি এই সম্মানের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। ‘মোইরাংথেম কুঞ্জমণি স্মৃতি খোরিরোল পুরস্কার’ প্রদান করা হবে ড. নয়ন সানা রাজকুমারীকে। তাঁর রচনা ‘লোন্থোস্তবগী লোন’ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে। ‘নারেংবম ইবোতোম্বী স্মৃতি খোরিরোল পুরস্কার’ পাচ্ছেন বসন্ত চোংথাম। তাঁর ‘থবায় পাল্লিবা মিতম’ গ্রন্থটি এই সম্মানের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।



