নবগঠিত পুরনিগম : প্রত্যাশা ও আশু করণীয়

Spread the news

।। প্রদীপ দত্তরায় ।।
(লেখক ছাত্র সংগঠন আকসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও গৌহাটি হাইকোর্টের আইনজীবী।)
৭ নভেম্বর : দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে কাজ শুরু করতে চলেছে শিলচর পুরনিগম। শহরের পক্ষে এটি নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পরিবর্তন। স্বাভাবিকভাবেই এই পরিবর্তনকে ঘিরে নাগরিকদের মনে নতুন প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, পুরসভা থেকে পুরনিগমে উত্তরণ কি শিলচরের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যাগুলির সমাধান করতে পারবে, নাকি নিছক আনুষ্ঠানিক পরিবর্তন হিসেবেই থেকে যাবে?

এবারের নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট ৩৪টি, কংগ্রেস ২টি এবং নির্দল প্রার্থীরা ৬টি আসনে জয়ী হয়েছেন। ফলে নবগঠিত পুরনিগমে শাসক জোটের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে শক্তিশালী বিরোধী পক্ষ প্রশাসনিক জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে সেই সুযোগ সীমিত। তবে নির্দল কাউন্সিলরদের ভূমিকাও উপেক্ষণীয় নয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা যেমন বাড়বে, তেমনি নাগরিক সমাজকেও সক্রিয় নজরদারির ভূমিকা নিতে হবে।

শিলচরের সমস্যা শুধু জলাবদ্ধতা, যানজট কিংবা ভাঙাচোরা রাস্তাঘাটে সীমাবদ্ধ নয়। অপরিকল্পিত নগরায়ণ, বিপর্যস্ত নিকাশি ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, জলাভূমির অবক্ষয় এবং সরকারি বিভাগগুলির মধ্যে সমন্বয়ের অভাব নাগরিক জীবনকে ক্রমশ দুর্বিষহ করে তুলেছে। এই সমস্যাগুলিকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে একটি সমন্বিত নগর উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় আনাই নবগঠিত পুরনিগমের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

নিকাশি ও জলাবদ্ধতা: সর্বাধিক অগ্রাধিকার
শিলচরের সবচেয়ে গুরুতর নাগরিক সমস্যা নিঃসন্দেহে জলাবদ্ধতা ও বন্যা। বছরের পর বছর নিকাশি সংস্কারের নামে প্রকল্প গ্রহণ, অর্থ বরাদ্দ ও নির্মাণকাজ হলেও স্থায়ী সমাধান অধরাই রয়ে গেছে। এর অন্যতম কারণ শহরের প্রাকৃতিক জলনিকাশি ব্যবস্থাকে সামগ্রিকভাবে বিবেচনা না করে বিচ্ছিন্ন নালা নির্মাণ ও সংস্কারের উপর নির্ভর করা।

রাঙ্গিরখাল, শিঙ্গিরখাল, লঙ্গাইখাল, বাচ্চাইখালসহ শহরের প্রাকৃতিক জলনিকাশি পথগুলির বর্তমান অবস্থা ও জলবহন ক্ষমতার পূর্ণাঙ্গ প্রযুক্তিগত সমীক্ষা জরুরি। একইসঙ্গে মালিনী বিলসহ প্রাকৃতিক জলাধার ও জলাভূমিগুলির সংরক্ষণ অপরিহার্য। কারণ এগুলি পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি অতিরিক্ত বৃষ্টির জল ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রথমেই রাঙ্গিরখালসহ চলমান ও অসম্পূর্ণ নিকাশি প্রকল্পগুলির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা উচিত। কোন প্রকল্পে কত অর্থ বরাদ্দ হয়েছে, কতটা ব্যয় হয়েছে, কাজের অগ্রগতি কতদূর এবং কবে শেষ হবে—এসব জানার অধিকার নাগরিকদের রয়েছে।

সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে একটি বিজ্ঞানসম্মত সমন্বিত ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে। এতে শহরের ভূপ্রকৃতি, বৃষ্টিপাত, প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ, বরাক নদীর জলস্তর, জল নিষ্কাশনের পথ এবং ভবিষ্যৎ নগর সম্প্রসারণের সম্ভাবনা বিবেচিত হওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ প্রযুক্তিগত প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নিতে হবে। এই কাজে পুরনিগমের পাশাপাশি জলসম্পদ বিভাগ, পূর্ত বিভাগ ও রাজ্য সরকারের সক্রিয় সহযোগিতা অপরিহার্য।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা
শহরের বিভিন্ন স্থানে আবর্জনা জমে থাকা, অনিয়মিত সংগ্রহ এবং বিজ্ঞানসম্মত নিষ্পত্তি ব্যবস্থার অভাব পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক।

প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত বাড়ি বাড়ি বর্জ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে এই ব্যবস্থা চালু থাকলেও তা পর্যাপ্ত নয়। পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য পৃথকীকরণ, প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র স্থাপন এবং আধুনিক নিষ্পত্তি ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। ইতিপূর্বে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সংগৃহীত যন্ত্রপাতির একাংশ অকেজো হয়ে পড়ে থাকার অভিযোগও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

বাজার, হাসপাতাল ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পরিচ্ছন্নতার জন্য বিশেষ নজরদারি, পর্যাপ্ত গণশৌচাগার এবং সেপটিক বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। খোলা নালায় অপরিশোধিত বর্জ্য জল নিষ্কাশন বন্ধ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

যানজট, রাস্তাঘাট ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ
শিলচরের ক্রমবর্ধমান যানজট নাগরিক জীবনের অন্যতম প্রধান সমস্যা। সীমিত প্রস্থের রাস্তা, যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত পার্কিং, ফুটপাতের অভাব এবং রাস্তার উপর পণ্য ওঠানো-নামানো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

শুধু ট্রাফিক পুলিশের উপর নির্ভর না করে পুরনিগমকে সমন্বিত যান চলাচল ও পার্কিং পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকায় উপযুক্ত পার্কিং, নিরাপদ ফুটপাত এবং পণ্য ওঠানো-নামানোর নির্দিষ্ট স্থান চিহ্নিত করা প্রয়োজন।

পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের জীবিকার অধিকার রক্ষা করে পরিকল্পিত বিক্রয় অঞ্চল গড়ে তুলতে হবে। উন্নয়নের নামে নির্বিচারে উচ্ছেদ যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি পথচারীদের চলাচলের অধিকারও উপেক্ষা করা যায় না।

প্রস্তাবিত উড়ালসেতু যানজট নিরসনে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। প্রকল্পটির চূড়ান্ত বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন (ডিপিআর), নির্মাণ পরিকল্পনা এবং শহরের যান চলাচলের উপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত রিপোর্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করা উচিত। এটা জানার সম্পুর্ন অধিকার শহরের নাগরিকদের রয়েছে।

একইসঙ্গে অপরিকল্পিত বহুতল নির্মাণ, প্রাকৃতিক জলনিকাশি পথ দখল এবং নিচু জমি ভরাট করে নগর সম্প্রসারণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অন্যথায় আজকের অপরিকল্পিত উন্নয়নই আগামী দিনের বড় বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে।

সম্প্রসারিত পুর এলাকার প্রতি সমান গুরুত্ব
নবগঠিত পুরনিগমের আওতায় ৪২টি ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় প্রশাসনিক দায়িত্ব ও পরিষেবার পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বিশেষত নতুন অন্তর্ভুক্ত এলাকাগুলিতে রাস্তা, নিকাশি, পথবাতি, পানীয় জল ও বর্জ্য সংগ্রহের ঘাটতি চিহ্নিত করতে ওয়ার্ডভিত্তিক সমীক্ষা প্রয়োজন। পুরনো ও নতুন ওয়ার্ডের মধ্যে উন্নয়ন বৈষম্য যাতে না বাড়ে, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডের জন্য পৃথক উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা উচিত।

জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও দুর্যোগ মোকাবিলা
আধুনিক শহরের উন্নয়ন শুধু রাস্তাঘাট কিংবা বহুতল ভবনের সংখ্যা দিয়ে বিচার করা যায় না। নাগরিকদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রার মানও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

নিরাপদ পানীয় জল, মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ, নিয়মিত নালা পরিষ্কার, পর্যাপ্ত পথবাতি ও গণশৌচাগারের ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। পাশাপাশি শিশুদের খেলার মাঠ, উদ্যান, উন্মুক্ত স্থান ও জলাভূমি সংরক্ষণে উদ্যোগী হতে হবে।

প্রবীণ নাগরিক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উপযোগী ফুটপাত, নিরাপদ রাস্তা পারাপার এবং সহজলভ্য নাগরিক পরিষেবাও নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দরকার শিলচর শ্মশান ঘাটে একটি কার্যকরী বৈদ্যতিক চুল্লির ব্যাবস্থা করা।

এছাড়া শিলচরের বন্যার অভিজ্ঞতা বিবেচনায় প্রতিটি ওয়ার্ডের জন্য পৃথক দুর্যোগ মোকাবিলা পরিকল্পনা থাকা উচিত। আগাম সতর্কীকরণ, নিরাপদ আশ্রয়, উদ্ধার ও জরুরি পরিষেবার বিষয়গুলি তাতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

আর্থিক স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক জবাবদিহি
পুরসভা থেকে পুরনিগমে উন্নীত হওয়ার ফলে দায়িত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনি অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজনও হবে। তাই প্রথমেই পূর্ববর্তী পুরসভার বকেয়া দায়, চলমান প্রকল্পের আর্থিক প্রতিশ্রুতি, রাজস্ব আদায়, সরকারি অনুদান এবং ভবিষ্যৎ অর্থের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ বিবরণ প্রকাশ করা উচিত।

অসম্পূর্ণ প্রকল্পগুলির প্রযুক্তিগত ও আর্থিক পর্যালোচনাও জরুরি। কোথায় কত অর্থ ব্যয় হয়েছে, কাজের অগ্রগতি কতটা এবং বিলম্বের কারণ কী—এসব তথ্য নাগরিকদের জানাতে হবে।

প্রতিটি ওয়ার্ডে সহজ অভিযোগ গ্রহণ ব্যবস্থা এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। নির্বাচিত কাউন্সিলরদেরও নিয়মিত নাগরিকদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি প্রকাশ করা উচিত।

পুরনিগমের ক্ষমতা ও রাজ্য সরকারের দায়িত্ব
শিলচরের বহু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা এমন সরকারি বিভাগের সঙ্গে যুক্ত, যেগুলি পুরনিগমের সরাসরি নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। বৃহৎ নিকাশি প্রকল্প, নদীভিত্তিক বন্যা প্রতিরোধ, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জল সরবরাহ প্রকল্পে রাজ্য সরকারের ভূমিকা অপরিহার্য।

ফলে সমস্ত সমস্যার দায় কাউন্সিলরদের উপর চাপানো যেমন যুক্তিসংগত নয়, তেমনি ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার অজুহাতে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়াও গ্রহণযোগ্য নয়।

পুরনিগম, জেলা প্রশাসন, পূর্ত বিভাগ, জলসম্পদ বিভাগ, জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগ ও নগর পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষের মধ্যে স্থায়ী সমন্বয় ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

সংবিধানের ৭৪তম সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য অনুযায়ী নগর স্থানীয় সংস্থাগুলিকে কার্যকর প্রশাসনিক ক্ষমতা, পর্যাপ্ত অর্থ ও প্রয়োজনীয় জনবল দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পেতে হবে। প্রকৃত ক্ষমতা ও সম্পদ ছাড়া শুধু প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনে কাঙ্ক্ষিত উন্নতি সম্ভব নয়।

প্রথম ১০০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হোক
নাগরিকদের আস্থা অর্জনের জন্য নবগঠিত পুরনিগমের একটি বাস্তবসম্মত ও প্রকাশ্য প্রথম ১০০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা উচিত।

প্রথম পর্যায়ে ওয়ার্ডভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, নিকাশি ও রাস্তাঘাটের সমীক্ষা, চলমান প্রকল্পগুলির পর্যালোচনা এবং নাগরিক অভিযোগ গ্রহণ ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে।

পরবর্তী পর্যায়ে জলাবদ্ধতাপ্রবণ অঞ্চলে জরুরি ব্যবস্থা, নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ এবং যানজট নিরসনের প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই একটি পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা উচিত, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলির দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা, সম্ভাব্য ব্যয়, অর্থের উৎস ও বাস্তবায়নের সময়সীমা উল্লেখ থাকবে। নির্দিষ্ট সময় অন্তর অগ্রগতির প্রতিবেদন প্রকাশের ব্যবস্থাও থাকতে হবে।

শেষ কথা
শিলচর পুরনিগমের প্রতিষ্ঠা নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পরিবর্তন। কিন্তু এর সাফল্য নির্ভর করবে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কতটা ইতিবাচক পরিবর্তন আসে, তার উপর।

শহরবাসী চান উন্নত রাস্তাঘাট, জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, যানজটমুক্ত চলাচল, নিরাপদ পানীয় জল এবং নির্ভরযোগ্য নাগরিক পরিষেবা। এই প্রত্যাশা পূরণে বিচ্ছিন্ন প্রকল্পের পরিবর্তে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি, বিজ্ঞানসম্মত ও সমন্বিত নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা। পাশাপাশি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, আর্থিক জবাবদিহি, জনপ্রতিনিধিদের সক্রিয়তা এবং নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

পুরসভা থেকে পুরনিগমে উত্তরণ যেন শুধু প্রশাসনিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং হয়ে উঠুক শিলচরের দীর্ঘদিনের নাগরিক সমস্যাগুলির স্থায়ী সমাধান এবং একটি পরিকল্পিত, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য শহর গড়ার সূচনা।
এই প্রত্যাশা পূরণই হোক নবগঠিত পুরনিগম নেতৃত্বের প্রধান লক্ষ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *