১০ জুলাই : বিশ্বকাপে ব্যর্থতার স্বাদ এখনো জানা হয়নি কিলিয়ান এমবাপ্পের। মাত্র ১৮ বছর বয়সে বিশ্বকাপে অভিষেকের পর থেকেই দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন ফরাসি তারকা। প্রথম আসরেই পেলের রেকর্ড ভেঙে আলোচনায় আসা এমবাপ্পে এবার তৃতীয় বিশ্বকাপ খেলছেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি প্রতিবারই ফ্রান্সকে সেমিফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা নিশ্চিত করেছে দিদিয়ে দেশমের দল। ফ্রান্সের হয়ে একটি গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং অপর গোলটি করেন উসমান দেম্বেলে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ফ্রান্স। শক্তিশালী ফরাসি আক্রমণ সামাল দিতে গিয়ে ২৮ মিনিটে পেনাল্টি উপহার দেয় মরক্কো। এমবাপ্পেকে বক্সের মধ্যে ফাউল করলে ভিএআর পর্যালোচনার পর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন রেফারি। তবে স্পটকিক থেকে গোল করার সুযোগ হাতছাড়া করেন এমবাপ্পে। তবে ৬০ মিনিটে আর তাকে থামানো যায়নি। দুর্দান্ত ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নিখুঁত শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যাও বাড়িয়ে নেন রিয়াল মাদ্রিদের এই স্ট্রাইকার।
প্রথম গোলের মাত্র ছয় মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে ফ্রান্স। উসমান দেম্বেলের জোরালো শট ঠেকাতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনো। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর এমবাপ্পেকে বিশ্রাম দিতে বদলি করে মাঠ থেকে তুলে নেন কোচ দেশম।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টে টানা ষষ্ঠ ম্যাচ জিতল ফ্রান্স। গ্রুপ পর্ব থেকে নকআউট—সব মিলিয়ে দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে বর্তমান রানার্সআপরা। শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়েকে বিদায় জানানোর পর এবার মরক্কোকেও হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠল ফ্রান্স।



