বরাক তরঙ্গ, ৩০ এপ্রিল : বরাক উপত্যকায় বাংলা ভাষাকে সরকারি স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে ১৯৬১ সালে অসম বিধানসভা থেকে পদত্যাগকারী প্রখ্যাত জননেতা নন্দকিশোর সিংহের ১১১তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে গান্ধীভবনে এক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে লিটল পিলার্স স্কুলের দশবর্ষ পূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন প্রয়াত নন্দকিশোর সিংহের কনিষ্ঠ পুত্র নগেন্দ্রকিশোর সিংহ এবং পুত্রবধূ সুপ্রভা রাজকুমারী, যারা লিটল পিলার্স স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা। অনুষ্ঠানে সংবর্ধিতদের মধ্যে ছিলেন তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের প্রাক্তন সঞ্চালক হারান দে, বিশিষ্ট উপন্যাসিক দীপক হোম চৌধুরী, সাংবাদিক-সাহিত্যিক মহুয়া চৌধুরী, রূপম সাংস্কৃতিক সংস্থার সম্পাদক নিখিল পাল, ‘শ্রীহট্ট’ পত্রিকার সম্পাদক দীপঙ্কর ঘোষ এবং লায়ন্স ক্লাব শিলচরের ডিরেক্টর অরিন্দম ভট্টাচার্যসহ আরও অনেকে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক অতীন দাশ এবং আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রাক্তন প্রধান ড. বিশ্বতোষ চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে। এতে অংশ নেন অতীন দাশ, দীপক হোম চৌধুরী, ড. কস্তুরী হোম চৌধুরী, সুনীল রায়, ড. অপ্রতিম নাগ, নিখিল পালসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।
শুরুতেই বক্তব্য রাখেন নগেন্দ্রকিশোর সিংহ ও সুপ্রভা রাজকুমারী। অনুষ্ঠানে ড. কস্তুরী হোম চৌধুরী তাঁর স্বরচিত ব্যতিক্রমী কবিতা ‘সুপ্রভার আভা’ আবৃত্তি করেন, যার বিষয়বস্তু ছিল লিটল পিলার্স স্কুলের শিক্ষার্থী ও অধ্যক্ষ সুপ্রভা রাজকুমারী।
এছাড়া সংগীত পরিবেশন করেন শান্তি কুমার ভট্টাচার্য, জ্যোতি প্রকাশ ভট্টাচার্য, ড. শ্রাবণী সরকার, বিস্মিতা দেবনাথ, শিবানী দাস গুপ্ত, অনামিকা পাল এবং সুপর্ণা দাস ভট্টাচার্য প্রমুখ। মানপত্র পাঠ করেন ড. দেবযানী ভট্টাচার্য ও শ্রাবণী সরকার।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রয়াত নন্দকিশোর সিংহের দুই নাতনি। শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সুপ্রভা রাজকুমারী ও নগেন্দ্রকিশোর সিংহ।
জননেতা নন্দকিশোর সিংহের ১১১তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে গুণীজন সংবর্ধনা



